৫/৪. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১২৬৩ - ফজরের দুই রাকাতের পর নবীজির আচরণ
ফজরের সুন্নাতের পর বিশ্রাম গ্রহণ
ফজরের দুই রাকাতের পর নবীজির সহজ আচরণ
সুনানে আবূ দাউদ : ১২৬৩
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১২৬৩
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ زِيَادِ بْنِ سَعْدٍ، عَمَّنْ حَدَّثَهُ - ابْنِ أَبِي عَتَّابٍ، أَوْ غَيْرِهِ - عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، قَالَ قَالَتْ عَائِشَةُ كَانَ النَّبِيُّ ﷺ إِذَا صَلَّى رَكْعَتَىِ الْفَجْرِ فَإِنْ كُنْتُ نَائِمَةً اضْطَجَعَ وَإِنْ كُنْتُ مُسْتَيْقِظَةً حَدَّثَنِي .
আবূ সালামাহ্ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেছেন, নবী (ﷺ) ফজরের দু’ রাক’আত সুন্নাত আদায়ের পর আমি ঘুমিয়ে থাকলে তিনিও বিশ্রাম নিতেন। আর আমি জাগ্রত থাকলে তিনি আমার সাথে কথাবার্তা বলতেন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১২৬৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়িশা (রাঃ) ফজরের দুই রাকাত সুন্নত আদায়ের পর নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর আচরণ বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, নবীজি ফজরের দুই রাকাত আদায় করার পর যদি আয়িশা (রাঃ) ঘুমিয়ে থাকতেন, তবে তিনিও বিশ্রাম নিতেন। আর যদি তিনি জাগ্রত থাকতেন, তবে তাঁর সঙ্গে কথা বলতেন। এখানে ফজরের সুন্নতের পর ডান কাতে বিশ্রামের আমলের সঙ্গে নবীজির ঘরোয়া কোমলতা ফুটে ওঠে। এই বর্ণনায় কোনো দীর্ঘ আলোচনা নেই, কিন্তু একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা আছে—ইবাদত মানুষকে রূঢ় করে না; বরং সময় বুঝে শান্ত, সহজ ও যত্নশীল আচরণ শেখায়। ফজরের সুন্নত, বিশ্রাম ও পরিবারের সঙ্গে সুন্দর আচরণ এখানে একসঙ্গে এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ফজরের দুই রাকাত সুন্নত নবীজির নিয়মিত আমলের অংশ ছিল।
- পরিস্থিতি অনুযায়ী বিশ্রাম বা কথা বলা—দুটিই সহজ আচরণের অংশ।
- ইবাদতের সঙ্গে পরিবারের প্রতি কোমল ব্যবহারও গুরুত্বপূর্ণ।
