৫/১৯. অধ্যায়ঃ

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৩১১ - ঘুমঘোরে কুরআন তিলাওয়াত

সালাতের মধ্যে তন্দ্রা এলে

রাতের সালাতে কুরআন জড়িয়ে গেলে বিশ্রামের শিক্ষা

সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১৩১১

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ مُنَبِّهٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ " إِذَا قَامَ أَحَدُكُمْ مِنَ اللَّيْلِ فَاسْتَعْجَمَ الْقُرْآنُ عَلَى لِسَانِهِ فَلَمْ يَدْرِ مَا يَقُولُ فَلْيَضْطَجِعْ " .

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ (ঘুমের ঘোরে) রাতের সালাতে দণ্ডায়মান হলে কোরআন স্বাভাবিকভাবে তার মুখ থেকে বের হয় না, এবং সে কি তিলাওয়াত করছে তাও বুঝতে পারে না। কাজেই এরূপ অবস্থায় সে যেন অবশ্যই ঘুমিয়ে পড়ে।

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৩১১-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم রাতের সালাতের একটি বাস্তব সমস্যা নিয়ে নির্দেশ দিয়েছেন। কেউ যদি রাতে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করে, কিন্তু ঘুমের কারণে কুরআন তার জিহ্বায় স্বাভাবিকভাবে না আসে এবং সে কী বলছে তা বুঝতে না পারে, তাহলে সে যেন শুয়ে পড়ে। এতে বোঝা যায়, রাতের সালাত শুধু দাঁড়িয়ে থাকা নয়; কুরআন তিলাওয়াত, বোঝা এবং সচেতন থাকা এর অংশ। ঘুমের কারণে মুখ জড়িয়ে গেলে এবং মন বুঝতে না পারলে বিশ্রাম নেওয়াই ভালো। এই শিক্ষা ইবাদতকে ভারসাম্যপূর্ণ করে। আল্লাহর সামনে দাঁড়ানো যত্নের বিষয়; সেখানে অস্পষ্ট তিলাওয়াত ও অমনোযোগী অবস্থাকে নবী صلى الله عليه وسلم পছন্দ করেননি।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • কুরআন তিলাওয়াত সচেতনভাবে করা উচিত।
  • ঘুমের কারণে কী পড়ছে বোঝা না গেলে বিশ্রাম নেওয়া ভালো।
  • রাতের সালাতে মনোযোগ ও বোঝাপড়ার গুরুত্ব আছে।
  • ইবাদতে শরীরের সীমা অস্বীকার করা উচিত নয়।

এই সম্পর্কিত হাদিসসমূহ

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন