৮/২১. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৪৭৪ - কুরআন মুখস্থ ভুলে যাওয়ার সতর্কতা
কুরআন হিফজ করার পর তা ভুলে যাওয়ার পরিণাম
কুরআন মুখস্থ রাখার দায়িত্ব ও ভুলে যাওয়ার সতর্কতা
সুনানে আবূ দাউদ : ১৪৭৪
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১৪৭৪
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ إِدْرِيسَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي زِيَادٍ، عَنْ عِيسَى بْنِ فَائِدٍ، عَنْ سَعْدِ بْنِ عُبَادَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ «مَا مِنِ امْرِئٍ يَقْرَأُ الْقُرْآنَ يَنْسَاهُ إِلاَّ لَقِيَ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَجْذَمَ».
সা’দ বিন উবাদাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কুরআন পাঠ (মুখস্থ) করার পর তা ভুলে যায়, সে কেয়ামতের দিন আল্লাহর সাথে পঙ্গু অবস্থায় (বা খালি হাতে) সাক্ষাৎ করবে।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৪৭৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি কুরআন পাঠ করার পর তা ভুলে যায়, সে কেয়ামতের দিন আল্লাহর সাথে পঙ্গু অবস্থায় বা খালি হাতে সাক্ষাৎ করবে। হাদিসের ভাষা সতর্কতামূলক। তাই ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত কথা না বাড়িয়ে মূল বার্তা বোঝা দরকার। কুরআন শেখা বড় নিয়ামত, আর তা ধরে রাখাও দায়িত্বের বিষয়। কুরআন মুখস্থ করলে নিয়মিত তিলাওয়াত, পুনরাবৃত্তি ও যত্নের প্রয়োজন হয়। এখানে কুরআন ভুলে যাওয়ার সতর্কতা এসেছে, যাতে মানুষ শেখার পর অবহেলা না করে। কুরআন তিলাওয়াত, হিফজ ধরে রাখা এবং আল্লাহর কালামের প্রতি দায়িত্ববোধের জন্য এই হাদিস গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কুরআন শেখার পর তা ধরে রাখার চেষ্টা করা দরকার।
- কুরআন ভুলে যাওয়ার বিষয়ে এই হাদিসে সতর্কতা এসেছে।
- নিয়মিত তিলাওয়াত ও পুনরাবৃত্তি হিফজ রক্ষায় সহায়ক।
- আল্লাহর কালাম শেখা যেমন নিয়ামত, তেমনি দায়িত্বও।
