৯/১৪. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৬০৪ - আঙ্গুরের যাকাতের অনুরূপ বর্ণনা
অনুমানে আঙ্গুরের পরিমাণ নির্ধারণ করা
আঙ্গুরের যাকাতের একই অর্থে আরেক বর্ণনা
সুনানে আবূ দাউদ : ১৬০৪
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১৬০৪
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ الْمُسَيَّبِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نَافِعٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ صَالِحٍ التَّمَّارِ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، بِإِسْنَادِهِ وَمَعْنَاهُ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَسَعِيدٌ لَمْ يَسْمَعْ مِنْ عَتَّابٍ شَيْئًا .
ইবনু শিহাব (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
পূর্বোক্ত সানাদে এ হাদীসের ভাবার্থ বর্ণিত হয়েছে। [১৬০৪]
[১৬০৪] তিরমিযী (অধ্যায়ঃ যাকাত, হাঃ ৬৪৪) ইমাম তিরমিযী বলেন, এ সানাদটি হাসান গরীব, দারাকুতনী (হাঃ ২২)। এর সানাদ দুর্বল।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৬০৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নতুন কোনো আলাদা বিধান বিস্তারিতভাবে বলা হয়নি; বরং পূর্বের বর্ণনার ভাবার্থ আবার উল্লেখ হয়েছে। আগের হাদিসে আঙ্গুরের পরিমাণ নির্ধারণ এবং কিশমিশ দিয়ে তার যাকাত নেওয়ার কথা এসেছে। এখানে বলা হয়েছে, একই সানাদে সেই অর্থ বর্ণিত হয়েছে। তাই এই হাদিসের মূল বিষয় হলো আঙ্গুরের যাকাতের বর্ণনা একই অর্থে আরেক সূত্রে আসা। আরবি অংশে ইমাম আবু দাউদের একটি মন্তব্যও আছে যে সাঈদ আত্তাব থেকে কিছু শোনেননি। তাই হাদিসটি শুধু যাকাতের বিষয় নয়, বর্ণনার সূত্র সম্পর্কেও সতর্কভাবে জানায়। পাঠকের জন্য শিক্ষা হলো, যাকাতের বিধান বুঝতে বর্ণনার ভাষা ও সূত্র—দুটিই গুরুত্ব পায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- একই বিষয়ের একাধিক বর্ণনা একই অর্থে আসতে পারে।
- আঙ্গুরের যাকাতের আলোচনায় আগের হাদিসের অর্থ এখানে সমর্থিত হয়েছে।
- হাদিস বোঝার সময় সনদের মন্তব্যও খেয়াল করা দরকার।
- সংক্ষিপ্ত বর্ণনাও মূল বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্ক রাখে।
