৯/১৪. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৬০৩ - আঙ্গুরের যাকাত ও কিশমিশ
অনুমানে আঙ্গুরের পরিমাণ নির্ধারণ করা
আঙ্গুরের যাকাত: অনুমান ও কিশমিশ দিয়ে আদায়
সুনানে আবূ দাউদ : ১৬০৩
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১৬০৩
حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ السَّرِيِّ النَّاقِطُ، حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ مَنْصُورٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ عَتَّابِ بْنِ أَسِيدٍ، قَالَ أَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ أَنْ يُخْرَصَ الْعِنَبُ كَمَا يُخْرَصُ النَّخْلُ وَتُؤْخَذُ زَكَاتُهُ زَبِيبًا كَمَا تُؤْخَذُ زَكَاةُ النَّخْلِ تَمْرًا .
আত্তাব ইবনু আসীদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আঙ্গুরের পরিমাণ নির্ধারণ করতে নির্দেশ দিয়েছেন, যেমন খেজুরের পরিমাণ নির্ধারণ হয় এবং আঙ্গুরের যাকাত গ্রহণ করবে কিশমিশ দ্বারা, যেমন খেজুরের যাকাত খুরমা দ্বারা নেয়া হয়।
[১৬০৩] তিরমিযী (অধ্যায়ঃ যাকাত, হাঃ ৬৪৪, ইমাম তিরমিযী বলেন, এ সানাদটি হাসান গরীব, নাসায়ী (অধ্যায়ঃ যাকাত, হাঃ ২৬১৭), ইবনু মাজাহ (অধ্যায়ঃ যাকাত, হাঃ ১৮১৯), দারাকুতনী (হাঃ১৭)। এর সানাদ দুর্বল। সানাদের সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব আত্তাব ইবনু আসীদের যুগ পাননি। যেমনটি হাফিয ইবনু হাজার আত-তাহযীব গ্রন্থে বলেছেন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৬০৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আঙ্গুরের যাকাত সম্পর্কে সরাসরি নির্দেশ এসেছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) আঙ্গুরের পরিমাণ নির্ধারণ করতে বলেছেন, যেমন খেজুরের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়। এরপর বলা হয়েছে, আঙ্গুরের যাকাত কিশমিশ দ্বারা নেওয়া হবে, যেমন খেজুরের যাকাত খুরমা দ্বারা নেওয়া হয়। এখানে আঙ্গুরের যাকাত, খেজুরের যাকাত এবং ফলের পরিমাণ অনুমান করার নিয়ম একসঙ্গে বোঝা যায়। হাদিসটি দেখায় যে ফল পাকলে বা সংগ্রহের আগে তার সম্ভাব্য পরিমাণ হিসাব করা একটি পরিচিত পদ্ধতি ছিল। এর উদ্দেশ্য হলো যাকাতের হক ঠিকভাবে নির্ধারণ করা। তাই ফলের যাকাত আদায়ে অনুমান, পরিমাপ এবং ন্যায্য আদায়—এই তিনটি বিষয় এখানে পরিষ্কার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আঙ্গুরের পরিমাণ খেজুরের মতো অনুমান করে নির্ধারণের কথা এসেছে।
- আঙ্গুরের যাকাত কিশমিশ দিয়ে নেওয়ার নির্দেশ পাওয়া যায়।
- ফলের যাকাতে হিসাব ও পরিমাণ নির্ধারণ গুরুত্বপূর্ণ।
- যাকাত আদায়ে সম্পদের ধরন অনুযায়ী পদ্ধতি ভিন্ন হতে পারে।
