৯/১৩. অধ্যায়ঃ

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৬০২ - মধুর যাকাতে দশভাগের একভাগ

মধুর যাকাত

মধুর যাকাতের পরিমাণ: দশ মশকে এক মশক

সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১৬০২

حَدَّثَنَا الرَّبِيعُ بْنُ سُلَيْمَانَ الْمُؤَذِّنُ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي أُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ بَطْنًا، مِنْ فَهْمٍ بِمَعْنَى الْمُغِيرَةِ قَالَ مِنْ عَشْرِ قِرَبٍ قِرْبَةٌ . وَقَالَ وَادِيَيْنِ لَهُمْ .

‘আম্‌র ইবনু শু’আইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার হতে বর্ণিতঃ

ফাহ্‌ম গোত্রের উপগোত্র... অতঃপর মুগীরাহ্‌র হাদীসের অনুরূপ। তিনি বলেন, (মধুর যাকাত) দশ মশকে এক মশক দেয়া ওয়াজিব। তিনি আরো বলেন, সমভূমি দুটি তাদের মালিকানায় ছিল।

[১৬০২]

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৬০২-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে ফাহম গোত্রের একটি উপগোত্রের ঘটনা সংক্ষেপে এসেছে। বর্ণনাটি আগের হাদিসের মতোই, তবে এখানে মূলভাবে বলা হয়েছে যে মধুর যাকাত হিসেবে দশ মশকে এক মশক দেওয়া ফরজ। একই সঙ্গে উল্লেখ আছে, দুইটি সমভূমি তাদের মালিকানায় ছিল। তাই এই হাদিসের আলোচনায় মধুর যাকাতের পরিমাণ এবং সম্পদের সঙ্গে যুক্ত অধিকার—দুটিই স্পষ্টভাবে উঠে আসে। এখানে অতিরিক্ত কোনো বড় আলোচনা নেই, বরং সংক্ষিপ্তভাবে একটি বাস্তব নিয়ম জানানো হয়েছে। যাকাত আদায়ের ক্ষেত্রে পরিমাণ জানা যেমন দরকার, তেমনি যে সম্পদ থেকে যাকাত আসে, সেটির অবস্থাও বুঝে নেওয়া দরকার।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • মধুর যাকাতে দশ মশকে এক মশক দেওয়ার কথা এসেছে।
  • যাকাতের পরিমাণ নির্দিষ্ট হলে তা মানা উচিত।
  • সম্পদের মালিকানা ও যাকাতের সম্পর্ক বোঝা দরকার।
  • সংক্ষিপ্ত বর্ণনাতেও গুরুত্বপূর্ণ ফিকহি শিক্ষা থাকতে পারে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন