৯/১৩. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৬০১ - মধুর যাকাতের ন্যায্য নিয়ম
মধুর যাকাত
মধুর যাকাত: দশ মশকে এক মশক দেওয়ার বিধান
সুনানে আবূ দাউদ : ১৬০১
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১৬০১
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدَةَ الضَّبِّيُّ، حَدَّثَنَا الْمُغِيرَةُ، - وَنَسَبَهُ إِلَى عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَارِثِ الْمَخْزُومِيِّ - قَالَ حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ شَبَابَةَ، - بَطْنٌ مِنْ فَهْمٍ - فَذَكَرَ نَحْوَهُ قَالَ مِنْ كُلِّ عَشْرِ قِرَبٍ قِرْبَةٌ وَقَالَ سُفْيَانُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الثَّقَفِيُّ قَالَ وَكَانَ يُحَمِّي لَهُمْ وَادِيَيْنِ زَادَ فَأَدَّوْا إِلَيْهِ مَا كَانُوا يُؤَدُّونَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ ﷺ وَحَمَّى لَهُمْ وَادِيَيْهِمْ .
‘আম্র ইবনু শু’আইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার হতে বর্ণিতঃ
‘শাবাবাহ’ হচ্ছে ফাহ্ম গোত্রের উপগোত্র। অতঃপর বর্ণনাকারী পূর্বের হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। বর্ণনাকারী বলেন, (মধুর যাকাত হচ্ছে) প্রত্যেক দশ মশকের জন্য এক মশক। সুফয়ান ইবনু ‘আবদুল্লাহ আস-সাকাফী তাদেরকে দুটি সমতলভূমি বন্দোবস্ত দিয়েছিলেন। তারা তাঁকে (মধুর) যাকাত সেভাবেই দিতেন যেমনটি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে দিতেন। তিনি তাদের দুটি সমভূমির বন্দোবস্ত বহাল রেখেছিলেন।
[১৬০১]
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৬০১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে মধুর যাকাত সম্পর্কে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণের কথা এসেছে। বর্ণনায় বলা হয়েছে, প্রতি দশ মশকের জন্য এক মশক মধু যাকাত হিসেবে দিতে হবে। এখানে শাবাবা নামের একটি উপগোত্রের কথা এসেছে, যারা আগে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-কে যেভাবে মধুর যাকাত দিত, পরে সুফয়ান ইবনু আবদুল্লাহ আস-সাকাফীর কাছেও সেভাবেই দিত। তিনি তাদের দুইটি সমতলভূমির বন্দোবস্ত বহাল রেখেছিলেন। তাই এই হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, যাকাতের ক্ষেত্রে নির্ধারিত হক আদায় করা এবং পূর্বে স্বীকৃত ন্যায্য বন্দোবস্ত ঠিক রাখা। মধুর যাকাত, যাকাতের পরিমাণ এবং সম্পদের হক—এসব বিষয় এখানে সহজভাবে বোঝা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মধুর যাকাতে নির্ধারিত পরিমাণ আদায় করার কথা এসেছে।
- যে হক আগে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-কে দেওয়া হতো, তা পরে একইভাবে দেওয়া হয়েছে।
- ন্যায্য বন্দোবস্ত থাকলে তা বহাল রাখার দৃষ্টান্ত পাওয়া যায়।
- সম্পদের যাকাত আদায়ে দায়িত্বশীল হওয়া দরকার।
