১/৬৫. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৭০ - আকাশের দিকে তাকিয়ে দোয়া
ওজুর পর যে দোয়া পড়তে হয়
উত্তম ওজুর পর আকাশের দিকে তাকিয়ে দোয়ার বর্ণনা
সুনানে আবূ দাউদ : ১৭০
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১৭০
حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ عِيسَى، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ الْمُقْرِئُ، عَنْ حَيْوَةَ، - وَهُوَ ابْنُ شُرَيْحٍ - عَنْ أَبِي عَقِيلٍ، عَنِ ابْنِ عَمِّهِ، عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ الْجُهَنِيِّ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ نَحْوَهُ وَلَمْ يَذْكُرْ أَمْرَ الرِّعَايَةِ قَالَ عِنْدَ قَوْلِهِ «فَأَحْسَنَ الْوُضُوءَ» . ثُمَّ رَفَعَ بَصَرَهُ إِلَى السَّمَاءِ . فَقَالَ وَسَاقَ الْحَدِيثَ بِمَعْنَى حَدِيثِ مُعَاوِيَةَ .
উকবাহ বিন আমির আল-জুহানী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
উক্ববাহ ইবনু ‘আমির আল-জুহানী (রাঃ) নবী (ﷺ)-এর সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি তাতে ‘উটশালায়’ কথাটি উল্লেখ করেননি। তিনি তাঁর বর্ণনায় ‘উত্তমরূপে ওজু করার পর ‘আকাশের দিকে তাকিয়ে’ (দোয়া পড়ার কথা) বলেছেন। তারপর বাকি অংশ মু’আবিয়াহ বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ।
[১] দারিমী (অধ্যায়ঃ পবিত্রতা, হাঃ ৭১৬), আহমাদ (৪/১৫০) আবূ ‘আক্বীল সূত্রে, নাসায়ী ‘আমামুল ইয়াত্তমি ওয়াল লায়লাহ’ (হাঃ ৮৪) তিনি বলেন, আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন, সুওয়ায়িদ ইবনু নাসর ইবনু সুওয়ায়িদ। এর সানাদে একজন অজ্ঞাত লোক আছে।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৭০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি আগের বর্ণনার কাছাকাছি। উকবা ইবনু আমির আল-জুহানী (রাঃ) নবী (صلى الله عليه وسلم) থেকে অনুরূপ অর্থে বর্ণনা করেছেন। তবে এখানে উট চরানোর ঘটনা উল্লেখ নেই। এই বর্ণনায় বলা হয়েছে, উত্তমভাবে ওজু করার পর তিনি আকাশের দিকে তাকালেন, তারপর দোয়ার অংশ আগের বর্ণনার মতো এসেছে। তাই “ওজুর পর দোয়া” এবং “আকাশের দিকে তাকিয়ে দোয়া” এই হাদিসের মূল বিষয়। এখানে নতুন কোনো আলাদা দীর্ঘ বিধান তৈরি করা ঠিক নয়। বরং বলা যায়, একই আমলের একটি ভিন্ন বর্ণনায় দোয়ার সময় দৃষ্টি আকাশের দিকে তোলার কথা এসেছে। বাকি অংশ মুয়াবিয়ার বর্ণিত হাদিসের অর্থের সাথে মিল রাখে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- উত্তমভাবে ওজু করার পর দোয়া পড়ার শিক্ষা এখানে আবার এসেছে।
- এই বর্ণনায় দোয়ার আগে আকাশের দিকে তাকানোর কথা উল্লেখ আছে।
- একই বিষয়ের বর্ণনায় কিছু শব্দের পার্থক্য থাকতে পারে।
- হাদিস বুঝতে মূল বক্তব্য ও বর্ণনার ভিন্ন অংশ আলাদা করে দেখা দরকার।
