১১/৯. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৭৩৭ - হজ্জ-উমরার মীকাত নির্ধারণ
হায়িয অবস্থায় হজ্জের ইহরাম বাঁধা
হজ্জ ও উমরার মীকাত: যুলহুলাইফা, জুহফা ও করণ
সুনানে আবূ দাউদ : ১৭৩৭
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১৭৩৭
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، ح وَحَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا مَالِكٌ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ وَقَّتَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ لأَهْلِ الْمَدِينَةِ ذَا الْحُلَيْفَةِ وَلأَهْلِ الشَّامِ الْجُحْفَةَ وَلأَهْلِ نَجْدٍ قَرْنًا وَبَلَغَنِي أَنَّهُ وَقَّتَ لأَهْلِ الْيَمَنِ يَلَمْلَمَ .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মাদীনাহ্বাসীদের জন্য ‘উলহুলাইফা’, শামবাসীদের জন্য ‘আল-জুহফা’ এবং নজদবাসীদের জন্য ‘কারণ’ মীক্বাত হিসেবে নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন। বলেন, এবং আমার কাছে এটাও পৌঁছেছে যে, তিনি ইয়ামানবাসীদের জন্য ‘ইয়ালামলাম’ পর্বতকে মীক্বাত নির্দিষ্ট করেছেন।
[১৭৩৭]
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৭৩৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বিভিন্ন এলাকার মানুষের জন্য মীকাত নির্ধারণ করেছেন। মদিনাবাসীদের জন্য যুলহুলাইফা, শামবাসীদের জন্য আল-জুহফা এবং নজদবাসীদের জন্য করণ নির্দিষ্ট করা হয়েছে। ইবন উমর (রাঃ) বলেন, তাঁর কাছে আরও পৌঁছেছে যে ইয়ামানবাসীদের জন্য ইয়ালামলম পর্বতকে মীকাত নির্দিষ্ট করা হয়েছে। হজ্জ ও উমরার মীকাত হলো ইহরাম শুরু করার নির্দিষ্ট সীমা। এই বর্ণনায় স্থানগুলোর নাম স্পষ্টভাবে এসেছে, তাই মীকাতের তালিকা, হজ্জের ইহরাম কোথা থেকে বাঁধতে হয় এবং এলাকার ভিত্তিতে মীকাত জানতে এই হাদিস খুব গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হজ্জ-উমরার জন্য নির্দিষ্ট মীকাত আছে।
- মদিনা, শাম ও নজদের জন্য আলাদা মীকাত নির্ধারণ করা হয়েছে।
- ইয়ামানবাসীদের মীকাত হিসেবে ইয়ালামলমের কথাও এসেছে।
- ইহরাম শুরুর স্থান জানা হজ্জ-উমরার প্রস্তুতির অংশ।
