১১/৯. অধ্যায়ঃ

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৭৩৯ - ইরাকবাসীদের মীকাত যাতু ইরক

হায়িয অবস্থায় হজ্জের ইহরাম বাঁধা

ইরাকবাসীদের মীকাত: যাতু ইরক

সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১৭৩৯

حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ بَهْرَامَ الْمَدَائِنِيُّ، حَدَّثَنَا الْمُعَافَى بْنُ عِمْرَانَ، عَنْ أَفْلَحَ، - يَعْنِي ابْنَ حُمَيْدٍ - عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَائِشَةَ، رضى الله عنها أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ وَقَّتَ لأَهْلِ الْعِرَاقِ ذَاتَ عِرْقٍ .

'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরাকবাসীদের জন্য ‘যাতু ইরক’-কে মীক্বাত নির্দিষ্ট করেছেন।

[১৭৩৯]

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৭৩৯-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) ইরাকবাসীদের জন্য যাতু ইরককে মীকাত নির্দিষ্ট করেছেন। বর্ণনাটি সংক্ষিপ্ত, কিন্তু হজ্জ ও উমরার মীকাত জানা মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আগের বর্ণনাগুলোতে মদিনা, শাম, নজদ ও ইয়ামানের মীকাত এসেছে; এখানে ইরাকবাসীদের মীকাত আলাদা করে বলা হয়েছে। তাই যারা ইরাকের দিক থেকে হজ্জ বা উমরার উদ্দেশ্যে যায়, তাদের জন্য যাতু ইরক একটি গুরুত্বপূর্ণ মীকাত-নাম। হাদিসটি শুধু এই নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণের কথা বলে; তাই এর বাইরে অতিরিক্ত বিবরণ না দিয়ে মীকাতের তালিকায় এটিকে যথাস্থানে রাখা উচিত।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • ইরাকবাসীদের জন্য যাতু ইরক মীকাত হিসেবে নির্ধারিত।
  • হজ্জ-উমরার পথে এলাকার ভিত্তিতে মীকাত আলাদা হতে পারে।
  • মীকাতের স্থান জানা ইহরামের প্রস্তুতির অংশ।
  • সংক্ষিপ্ত হাদিসও নির্দিষ্ট বিধান জানাতে যথেষ্ট হতে পারে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন