১১/২৪. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৭৮৬ - হায়েযে তাওয়াফ ও সালাতের বিধান
হজ্জে কিরান
হায়েযে তাওয়াফ ও সালাত বাদ দেওয়ার নির্দেশ
সুনানে আবূ দাউদ : ১৭৮৬
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১৭৮৬
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي أَبُو الزُّبَيْرِ، أَنَّهُ سَمِعَ جَابِرًا، قَالَ دَخَلَ النَّبِيُّ ﷺ عَلَى عَائِشَةَ بِبَعْضِ هَذِهِ الْقِصَّةِ قَالَ عِنْدَ قَوْلِهِ " وَأَهِلِّي بِالْحَجِّ " . " ثُمَّ حُجِّي وَاصْنَعِي مَا يَصْنَعُ الْحَاجُّ غَيْرَ أَنْ لاَ تَطُوفِي بِالْبَيْتِ وَلاَ تُصَلِّي " .
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
জাবির (রাঃ) হতে এ ঘটনার অংশবিশেষ শুনেছেন। তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কথা : এবং তুমি হজের ইহরাম বাঁধো অতঃপর হজ করো এবং অন্যান্য হাজীগণ যা করে তুমিও তাই করো’, কিন্তু বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করবে না এবং সালাত আদায় করবে না।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৭৮৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়িশা (রাঃ)-এর ঘটনার একটি অংশ এসেছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) তাকে বলেন, হজ্জের ইহরাম বাঁধো, তারপর হজ্জ করো এবং অন্যান্য হাজীরা যা করে তুমিও তাই করো। তবে বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করবে না এবং সালাত আদায় করবে না। এই বর্ণনা খুব সংক্ষিপ্ত হলেও হায়েয অবস্থায় হজ্জের করণীয় বুঝতে গুরুত্বপূর্ণ। এখানে স্পষ্টভাবে দুইটি বিষয় আলাদা করা হয়েছে—হাজীদের সাধারণ কাজ করা যাবে, কিন্তু তাওয়াফ ও সালাত থেকে বিরত থাকতে হবে। তাই হায়েয অবস্থায় হজ্জের নিয়ম, তাওয়াফের বিধান এবং সালাতের বিধান জানতে এই হাদিস সরাসরি দিকনির্দেশনা দেয়। এতে অতিরিক্ত কোনো দাবি না করে বলা যায়, হজ্জের অনেক কাজ করা গেলেও তাওয়াফ ও সালাতের ক্ষেত্রে আলাদা বিধান আছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হায়েয অবস্থায়ও হজ্জের ইহরাম বাঁধার নির্দেশ এসেছে।
- হাজীদের সাধারণ কাজ করা যাবে, তবে তাওয়াফ করা যাবে না।
- হায়েয অবস্থায় সালাত আদায় না করার নির্দেশ এসেছে।
- হজ্জের কাজের মধ্যে তাওয়াফের জন্য পবিত্রতার বিষয় আলাদা গুরুত্ব রাখে।
