১১/২৫. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৮০৪ - নবী صلى الله عليه وسلم-এর উমরার ইহরাম
হজ্জের ইহরাম বাঁধার পর তা উমরায় পরিবর্তিত করা
উমরা ও হজ্জের ইহরাম: নবী صلى الله عليه وسلم ও সাহাবীদের আমল
সুনানে আবূ দাউদ : ১৮০৪
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১৮০৪
حَدَّثَنَا ابْنُ مُعَاذٍ، أَخْبَرَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ مُسْلِمٍ الْقُرِّيِّ، سَمِعَ ابْنَ عَبَّاسٍ، يَقُولُ أَهَلَّ النَّبِيُّ ﷺ بِعُمْرَةٍ وَأَهَلَّ أَصْحَابُهُ بِحَجٍّ .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) ‘উমরাহ্র জন্য ইহরাম বেঁধেছিলেন এবং তাঁর সাথীরা হজের জন্য ইহরাম বেঁধেছিলেন।
[১৮০৪]
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৮০৪-এর সারসংক্ষেপ
এই সংক্ষিপ্ত হাদিসে ইহরামের নিয়ত ও ধরন নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এসেছে। ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, নবী (صلى الله عليه وسلم) উমরার জন্য ইহরাম বেঁধেছিলেন এবং তাঁর সাহাবীরা হজ্জের জন্য ইহরাম বেঁধেছিলেন। অর্থাৎ একই সফরে মানুষের ইহরামের ধরন এক নাও হতে পারে। কেউ উমরার জন্য ইহরাম বাঁধতে পারে, আবার কেউ হজ্জের জন্য ইহরাম বাঁধতে পারে—এই বর্ণনায় সেই পার্থক্য দেখা যায়। হাদিসটি দীর্ঘ নয়, কিন্তু হজ্জ-উমরার নিয়ত, ইহরাম, তালবিয়া এবং আমলের ধারাবাহিকতা বুঝতে সহায়তা করে। মূল কথা হলো, ইবাদত শুরু হয় নির্দিষ্ট নিয়ত ও ইহরামের মাধ্যমে, আর নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর আমল এতে পথ দেখায়। ফলে হজ্জ-উমরার আলোচনায় এই ছোট বর্ণনাও নিয়তের ধরন বুঝতে কাজে লাগে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী (صلى الله عليه وسلم) উমরার জন্য ইহরাম বাঁধার বর্ণনা এসেছে।
- সাহাবীদের মধ্যে হজ্জের ইহরাম বাঁধার কথা উল্লেখ আছে।
- একই সফরে ইহরামের ধরন ভিন্ন হতে পারে।
- হজ্জ-উমরার শুরুতে নিয়ত ও ইহরাম গুরুত্বপূর্ণ।
