১১/২৮. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৮১২ - রাসূল صلى الله عليه وسلم-এর তালবিয়া ও অর্থ
তালবিয়া পাঠ কখন বন্ধ করবে?
রাসূল صلى الله عليه وسلم-এর তালবিয়া: হজ্জ ও উমরার ডাক
সুনানে আবূ দাউদ : ১৮১২
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১৮১২
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ تَلْبِيَةَ، رَسُولِ اللَّهِ ﷺ " لَبَّيْكَ اللَّهُمَّ لَبَّيْكَ لَبَّيْكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ لَبَّيْكَ إِنَّ الْحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ». قَالَ وَكَانَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ يَزِيدُ فِي تَلْبِيَتِهِ " لَبَّيْكَ لَبَّيْكَ لَبَّيْكَ وَسَعْدَيْكَ وَالْخَيْرُ بِيَدَيْكَ وَالرَّغْبَاءُ إِلَيْكَ وَالْعَمَلُ».
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর তালবিয়া ছিলো : “লাব্বাইকা আল্লাহুম্মা লাব্বাইকা, লাব্বাইকা লা শারীকা লাকা লাব্বাইকা, ইন্নাল হামদা ওয়ান-নি‘মাতা লাকা ওয়াল-মুলকা লা শারীকা লাকা।” নাফি‘ (রহঃ) বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমর (রাঃ) তাঁর তালবিয়ার মধ্যে বর্ধিত করতেন : হে রব! আমি উপস্থিত (তিনবার) এবং সৌভাগ্য ও করুণা আপনার হাতেই এবং আকর্ষণ আপনাতেই। আমাদের কাজের প্রতিদানও আপনার অনুগ্রহের উপর নির্ভরশীল।
[১৮১২]
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৮১২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর তালবিয়ার শব্দ এসেছে। তিনি বলতেন: লাব্বাইকা আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শরীক লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হামদা ওয়ান-নিমাতা লাকা ওয়াল-মুলকা লা শরীক লাক। এই বাক্যে আল্লাহর ডাকে সাড়া, তাঁর একত্ব, প্রশংসা, নিয়ামত ও রাজত্বের স্বীকৃতি রয়েছে। এরপর নাফি (রহঃ) বলেন, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) তাঁর তালবিয়ায় আরও কিছু বাক্য যোগ করতেন, যেমন লাব্বাইকা, ওয়া সাদ্দাইকা, ওয়াল-খাইরু বিয়াদাইকা। হাদিসটি তালবিয়া, ইহরাম, হজ্জ ও উমরার যিকরকে সুন্দরভাবে সামনে আনে। এখানে মূল শিক্ষা হলো, হজ্জের সফরে বান্দা আল্লাহর সামনে উপস্থিতির ঘোষণা দেয় এবং তাঁর কোনো শরীক নেই—এ কথা বারবার বলে। এই তালবিয়া আজও হজ্জ ও উমরার সবচেয়ে পরিচিত যিকর হিসেবে মানুষের মুখে শোনা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর তালবিয়ার মূল বাক্য এই হাদিসে এসেছে।
- তালবিয়ায় আল্লাহর একত্ব, প্রশংসা ও নিয়ামতের স্বীকৃতি আছে।
- ইবনু উমর (রাঃ) তালবিয়ায় কিছু অতিরিক্ত বাক্য বলতেন।
- হজ্জ-উমরার ইহরামে তালবিয়া বিশেষ যিকর হিসেবে এসেছে।
