১১/২৯. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৮১৫ - জামরাতুল আকাবা পর্যন্ত তালবিয়া
উমরাহকারী কখন তালবিয়া পাঠ বন্ধ করবে?
জামরাতুল আকাবা পর্যন্ত তালবিয়া পড়ার শিক্ষা
সুনানে আবূ দাউদ : ১৮১৫
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১৮১৫
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ الْفَضْلِ بْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ لَبَّى حَتَّى رَمَى جَمْرَةَ الْعَقَبَةِ.
ফাযল ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জামরাতুল আকাবায় কঙ্কর নিক্ষেপ করার পূর্ব পর্যন্ত তালবিয়া পড়েছেন।
[১৮১৫]
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৮১৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ফাযল ইবন আব্বাস (রাঃ)-এর সূত্রে এসেছে যে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) জামরাতুল আকাবায় কংকর নিক্ষেপ করার পূর্ব পর্যন্ত তালবিয়া পড়েছেন। বর্ণনাটি ছোট, কিন্তু হজ্জের তালবিয়ার সময়সীমা বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এখানে তালবিয়া, জামরাতুল আকাবা, কংকর নিক্ষেপ এবং নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর আমল—এই কয়েকটি বিষয় সরাসরি এসেছে। হজ্জের পথে তালবিয়া হলো আল্লাহর ডাকে সাড়া দেওয়ার ঘোষণা। আর এই হাদিসে দেখা যায়, নবী (صلى الله عليه وسلم) নির্দিষ্ট একটি কাজের আগ পর্যন্ত তা চালু রেখেছেন। তাই যারা হজ্জের আমল শিখতে চান, তাদের জন্য এই হাদিস তালবিয়া কখন পর্যন্ত পড়া হয়েছে তা বুঝতে সাহায্য করে। তবে বর্ণনার বাইরে অতিরিক্ত সিদ্ধান্ত এখানে যোগ করা ঠিক নয়। বিশেষ করে জামরাতুল আকাবার সঙ্গে তালবিয়ার সম্পর্ক এই হাদিসে পরিষ্কারভাবে ধরা পড়ে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) জামরাতুল আকাবার আগে পর্যন্ত তালবিয়া পড়েছেন।
- হজ্জে তালবিয়ার সময়সীমা বুঝতে এই বর্ণনা সহায়ক।
- কংকর নিক্ষেপ হজ্জের নির্দিষ্ট কাজ হিসেবে এখানে এসেছে।
- নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর আমল থেকে হজ্জের ধারাবাহিকতা শেখা যায়।
