১১/৪৯. অধ্যায়ঃ

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৮৭৪ - রুকনে ইয়ামানী স্পর্শের বিধান

ফরজ তাওয়াফের বর্ণনা

বায়তুল্লাহর রুকনে ইয়ামানী স্পর্শের শিক্ষা

সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১৮৭৪

حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ، حَدَّثَنَا لَيْثٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ لَمْ أَرَ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ يَمْسَحُ مِنَ الْبَيْتِ إِلاَّ الرُّكْنَيْنِ الْيَمَانِيَيْنِ .

ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে দুটি রুকনে ইয়ামানী ছাড়া বায়তুল্লাহর অন্য কিছুকে স্পর্শ করতে দেখিনি।

[১৮৭৪]

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৮৭৪-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে ইবনু উমর (রাঃ) বায়তুল্লাহ তাওয়াফের সময় স্পর্শ করার বিষয়ে নবী صلى الله عليه وسلم-এর আমল বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-কে দুইটি রুকনে ইয়ামানী ছাড়া বায়তুল্লাহর অন্য কিছুকে স্পর্শ করতে দেখিনি। হাদিসের মূল বিষয় হলো তাওয়াফে কোন অংশ স্পর্শ করা হয়েছে, তা নবী صلى الله عليه وسلم-এর আমল অনুযায়ী বোঝা। এখানে বায়তুল্লাহর প্রতি ভালোবাসা থাকা সত্ত্বেও সব অংশ স্পর্শ করা নবী صلى الله عليه وسلم থেকে বর্ণিত হয়নি। বরং নির্দিষ্ট রুকনের কথা এসেছে। এই হাদিস ইবাদতের ক্ষেত্রে সীমা মানার শিক্ষা দেয়। কাবা শরিফের প্রতি সম্মান অবশ্যই আছে, কিন্তু সম্মান দেখানোর পদ্ধতিও রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর আমলের সঙ্গে মিলিয়ে হওয়া দরকার। তাই তাওয়াফের আমল বুঝতে এই বর্ণনা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • নবী صلى الله عليه وسلم বায়তুল্লাহর নির্দিষ্ট রুকন স্পর্শ করেছেন।
  • ইবাদতে ভালোবাসা থাকলেও পদ্ধতি সুন্নাহ অনুযায়ী হওয়া দরকার।
  • ইবনু উমর (রাঃ) নবী صلى الله عليه وسلم-এর তাওয়াফের আমল সরাসরি বর্ণনা করেছেন।
  • তাওয়াফে অতিরিক্ত কাজ যোগ করার ক্ষেত্রে সতর্কতা প্রয়োজন।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন