১১/৪৯. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৮৭৬ - হাজরে আসওয়াদ ও রুকনে ইয়ামানী
ফরজ তাওয়াফের বর্ণনা
প্রত্যেক তাওয়াফে হাজরে আসওয়াদ ও রুকনে ইয়ামানী স্পর্শ
সুনানে আবূ দাউদ : ১৮৭৬
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১৮৭৬
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ أَبِي رَوَّادٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ لاَ يَدَعُ أَنْ يَسْتَلِمَ الرُّكْنَ الْيَمَانِيَ وَالْحَجَرَ فِي كُلِّ طَوْفَةٍ قَالَ وَكَانَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ يَفْعَلُهُ .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) প্রত্যেক তাওয়াফে রুকনে ইয়ামানী ও হাজরে আসওয়াদের চুমা খাওয়া পরিত্যাগ করেননি। তিনি (নাফি‘) বলেন, তাই ইবনু ‘উমর (রাঃ) এরূপ করতেন।
[১৮৭৬]
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৮৭৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে তাওয়াফের সময় রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর একটি নিয়মিত আমল বর্ণিত হয়েছে। ইবনু উমর (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم প্রত্যেক তাওয়াফে রুকনে ইয়ামানী ও হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ করা পরিত্যাগ করতেন না। নাফি (রহঃ) বলেন, ইবনু উমর (রাঃ)-ও এভাবেই করতেন। হাদিসের মূল বিষয় হলো তাওয়াফে হাজরে আসওয়াদ ও রুকনে ইয়ামানীর গুরুত্ব। এর আগে-পরে থাকা বর্ণনাগুলোতেও দেখা যায়, বায়তুল্লাহর সব অংশ স্পর্শ করার কথা আসেনি; বরং নির্দিষ্ট রুকনের কথা এসেছে। তাই এই হাদিস আমাদের শেখায়, তাওয়াফের আমল নবী صلى الله عليه وسلم-এর দেখানো পদ্ধতিতে সীমাবদ্ধ রাখা দরকার। ইবনু উমর (রাঃ)-এর আমল থেকেও বোঝা যায়, সাহাবিরা নবী صلى الله عليه وسلم-এর কাজের অনুসরণে যত্নবান ছিলেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী صلى الله عليه وسلم প্রত্যেক তাওয়াফে হাজরে আসওয়াদ ও রুকনে ইয়ামানী স্পর্শ করেছেন।
- ইবনু উমর (রাঃ) নবী صلى الله عليه وسلم-এর এই আমল অনুসরণ করতেন।
- তাওয়াফে নির্দিষ্ট রুকনের আমলকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
- সুন্নাহ অনুসরণে সাহাবিদের বাস্তব আমল বড় শিক্ষা।
