১১/৬৭. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৯৩৯ - মুযদালিফা রাতে দুর্বলদের আগে পাঠানো
বড় হজ্জের দিন
মুযদালিফার রাতে দুর্বলদের আগেই পাঠানোর হাদিস
সুনানে আবূ দাউদ : ১৯৩৯
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১৯৩৯
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، أَخْبَرَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي يَزِيدَ، أَنَّهُ سَمِعَ ابْنَ عَبَّاسٍ، يَقُولُ أَنَا مِمَّنْ، قَدَّمَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ لَيْلَةَ الْمُزْدَلِفَةِ فِي ضَعَفَةِ أَهْلِهِ.
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর পরিবারের যেসব দুর্বল লোককে মুযদালিফার রাতে আগেই প্রেরণ করেছিলেন, আমিও তাদের মধ্যে ছিলাম।
[১৯৩৯]
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১৯৩৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) তাঁর পরিবারের দুর্বল লোকদের মুযদালিফার রাতে আগেই পাঠিয়েছিলেন, আর তিনি নিজেও তাদের মধ্যে ছিলেন। বর্ণনাটি সংক্ষিপ্ত, কিন্তু হজ্জের সফরে দুর্বলদের প্রতি যত্নের একটি স্পষ্ট দিক দেখায়। এখানে শিশু, দুর্বল বা কষ্ট হতে পারে এমন লোকদের আগেভাগে পাঠানোর কথা এসেছে। তবে এই হাদিসে তাদের পরবর্তী কাজের বিস্তারিত নেই; শুধু আগেই পাঠানোর বিষয়টি বলা হয়েছে। তাই ব্যাখ্যার মূল কথা হলো—মুযদালিফার রাতে নবীজি তাঁর পরিবারের দুর্বলদের ব্যাপারে সহজতা রেখেছেন। হজ্জের আমল যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি মানুষের সামর্থ্য ও দুর্বলতার দিকও নবীজির আমলে বিবেচিত হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মুযদালিফার রাতে দুর্বলদের আগেই পাঠানোর বর্ণনা এসেছে।
- নবীজি পরিবারের দুর্বল সদস্যদের কষ্টের দিক বিবেচনা করেছেন।
- হজ্জের আমলে মানুষের সামর্থ্যকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
- সংক্ষিপ্ত হাদিসেও করুণা ও সহজতার শিক্ষা থাকতে পারে।
