১/১. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২ - শৌচকাজে আড়াল ও লজ্জাশীলতা
পেশাব-পায়খানার জন্য নির্জন স্থানে যাওয়া
পায়খানার সময় আড়াল রাখা: ইসলামের শালীন আদব
সুনানে আবূ দাউদ : ২
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২
حَدَّثَنَا مُسَدَّدُ بْنُ مُسَرْهَدٍ، حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا أَرَادَ الْبَرَازَ انْطَلَقَ حَتَّى لاَ يَرَاهُ أَحَدٌ .
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) পায়খানার উদ্দেশে দূরে চলে যেতেন, যেন তাঁকে কেউ দেখতে না পায়।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, নবী (صلى الله عليه وسلم) পায়খানার উদ্দেশে গেলে এমন দূরে চলে যেতেন, যেন তাঁকে কেউ দেখতে না পায়। আগের বর্ণনার তুলনায় এখানে কারণটি আরও স্পষ্টভাবে এসেছে—লোকের দৃষ্টি থেকে আড়াল থাকা। তাই এই হাদিসের মূল বিষয় হলো শৌচকাজে আড়াল, লজ্জাশীলতা এবং ব্যক্তিগত সম্মান রক্ষা। ইসলামী শৌচাচার নিয়ে যারা জানতে চান, তাদের জন্য এই বর্ণনা খুব সহজ ভাষায় একটি ব্যবহারিক নিয়ম শেখায়। এখানে কোনো জটিল আলোচনা নেই; বরং দৈনন্দিন জীবনের একটি সাধারণ কাজ কীভাবে ভদ্রতা ও লজ্জার সঙ্গে করা যায়, সেটিই দেখানো হয়েছে। শৌচকাজে গোপনীয়তা শুধু ব্যক্তির নিজের জন্য নয়, অন্যদের অস্বস্তি থেকে বাঁচানোরও একটি উপায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- শৌচকাজে এমন আড়াল নেওয়া উচিত, যাতে অন্য কেউ না দেখে।
- লজ্জাশীলতা ইসলামী আদবের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- নবীজির দৈনন্দিন আচরণ থেকেও জীবনযাপনের শিক্ষা পাওয়া যায়।
- নিজের ব্যক্তিগত কাজ অন্যদের সামনে প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকা ভালো।
