১২/২. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২০৪৭ - বিয়েতে দীনদারীর গুরুত্ব
কুমারী মহিলা বিয়ে করা
বিয়েতে দীনদার নারী নির্বাচন করার শিক্ষা
সুনানে আবূ দাউদ : ২০৪৭
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২০৪৭
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، - يَعْنِي ابْنَ سَعِيدٍ - حَدَّثَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ، حَدَّثَنِي سَعِيدُ بْنُ أَبِي سَعِيدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ " تُنْكَحُ النِّسَاءُ لأَرْبَعٍ لِمَالِهَا وَلِحَسَبِهَا وَلِجَمَالِهَا وَلِدِينِهَا فَاظْفَرْ بِذَاتِ الدِّينِ تَرِبَتْ يَدَاكَ " .
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ নারীদেরকে (সাধারণত) চারটি বিষয় দেখে বিয়ে করা হয়। তার ধন-সম্পদ, বংশমর্যাদা, তার রূপসৌন্দর্য এবং তার দীনদারী। তবে তুমি দীনদার নারী বিয়ে করো। অন্যথায় তুমি লাঞ্ছিত হবে।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২০৪৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী صلى الله عليه وسلم বলেছেন, নারীদেরকে সাধারণত চারটি বিষয় দেখে বিয়ে করা হয়—ধন-সম্পদ, বংশমর্যাদা, রূপসৌন্দর্য এবং দীনদারী। এরপর তিনি দীনদার নারীকে বেছে নিতে বলেছেন। হাদিসের শিক্ষা হলো, বিয়ের সিদ্ধান্তে বাহ্যিক বিষয় মানুষকে আকৃষ্ট করতে পারে, কিন্তু দীনদারী হলো স্থায়ী ও নিরাপদ বিবেচনা। এখানে অন্য বিষয়গুলোকে সরাসরি অস্বীকার করা হয়নি; বরং দীনদারীকে অগ্রাধিকার দিতে বলা হয়েছে। কারণ সংসার শুধু সৌন্দর্য বা সম্পদের ওপর দাঁড়ায় না; চরিত্র, আল্লাহভীতি ও ভালো আচরণও গুরুত্বপূর্ণ। তাই বিয়ের ক্ষেত্রে শুধু চোখের পছন্দ নয়, দ্বীনের মূল্যবোধও দেখা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিয়েতে দীনদারীকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।
- সম্পদ, বংশ ও সৌন্দর্য মানুষ দেখে, তবে এগুলোই মূল মাপকাঠি নয়।
- ভালো সংসারের জন্য চরিত্র ও দ্বীন গুরুত্বপূর্ণ।
- বিয়ের সিদ্ধান্তে বাহ্যিক আকর্ষণের পাশাপাশি আখলাক দেখা দরকার।
