১২/১৪. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২০৭৩ - মুতআ বিয়ে হারাম ঘোষণার হাদিস
আশ-শিগার পদ্ধতির বিয়ে
মুতআ বিয়ে হারাম ঘোষণার সংক্ষিপ্ত হাদিস
সুনানে আবূ দাউদ : ২০৭৩
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২০৭৩
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ فَارِسٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ رَبِيعِ بْنِ سَبْرَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ حَرَّمَ مُتْعَةَ النِّسَاءِ .
রাবী‘ ইবনু সাবুরাহ (রহঃ) হতে তার পিতা হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নারীদের সাথে মুত‘আহ বিয়ে হারাম করেছেন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২০৭৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে মুতআ বিয়ে সম্পর্কে খুব সংক্ষিপ্ত কিন্তু সরাসরি বক্তব্য এসেছে। বর্ণনায় বলা হয়েছে, নবী (صلى الله عليه وسلم) নারীদের সঙ্গে মুতআ বিয়ে হারাম করেছেন। মুতআ বলতে সাময়িক বা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিয়ের কথা বোঝানো হয়েছে, যা আগের হাদিসেও আলোচনার বিষয় ছিল। এখানে দীর্ঘ ব্যাখ্যা নেই, কিন্তু বিধানটি স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে। তাই এ হাদিস থেকে মূল শিক্ষা হলো, বিবাহকে সাময়িক ভোগের চুক্তি বানানো যাবে না। ইসলামে বিবাহ একটি দায়িত্বপূর্ণ সম্পর্ক, যার সঙ্গে অধিকার, দায়িত্ব ও পারিবারিক নিরাপত্তা জড়িত। তবে এই ব্যাখ্যাও হাদিসের সরাসরি বক্তব্যের সীমার মধ্যেই রাখা হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী (صلى الله عليه وسلم) মুতআ বিয়ে হারাম করেছেন।
- সাময়িক বিয়ে ইসলামী বিবাহের স্থায়ী দায়িত্বের সঙ্গে মেলে না।
- বিবাহের বিধান ব্যক্তিগত পছন্দ নয়, শরয়ি নির্দেশনার বিষয়।
- সংক্ষিপ্ত হাদিস থেকেও স্পষ্ট বিধান জানা যায়।
