১৩/২০. অধ্যায়ঃ

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২২৩৫ - বারীরার সিদ্ধান্ত ও অনীহা

যিনি বলেছেন, সে (মুগিস) আযাদ ছিল

বারীরার এখতিয়ার পাওয়ার পর নিজের সিদ্ধান্ত

সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২২৩৫

حَدَّثَنَا ابْنُ كَثِيرٍ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ زَوْجَ، بَرِيرَةَ كَانَ حُرًّا حِينَ أُعْتِقَتْ وَأَنَّهَا خُيِّرَتْ فَقَالَتْ مَا أُحِبُّ أَنْ أَكُونَ مَعَهُ وَإِنَّ لِي كَذَا وَكَذَا.

'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

যখন বারীরাহকে আযাদ করে দেয়া হয় তখন তাঁর স্বামী ছিলো আযাদ এবং তাঁকে এখতিয়ার দেয়া হলে সে বলে, তাঁর সাথে বসবাসের কোন আকর্ষণ আমার নেই, যদি আমাকে এতো এতো কিছু দেয়া হয়।

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২২৩৫-এর সারসংক্ষেপ

এই বর্ণনায় বারীরার মুক্ত হওয়ার সময় তার স্বামীর অবস্থা সম্পর্কে একটি ভিন্ন বর্ণনা এসেছে। এখানে বলা হয়েছে, বারীরা যখন আজাদ হন তখন তার স্বামী আজাদ ছিলেন। তাকে এখতিয়ার দেওয়া হলে তিনি বলেন, তার সঙ্গে থাকা তার পছন্দ নয়, এমনকি তাকে অনেক কিছু দেওয়া হলেও না। এই হাদিসে বারীরার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত ও অনীহার কথা স্পষ্ট হয়েছে। আগের বর্ণনাগুলোর সঙ্গে তুলনা করলে স্বামীর অবস্থা নিয়ে ভিন্নতা দেখা যায়, তবে এই বর্ণনার নিজস্ব বক্তব্য হলো—বারীরা নিজের সিদ্ধান্ত প্রকাশ করেছিলেন। এখানে মূল শিক্ষা হলো, যখন কাউকে শরয়ীভাবে সিদ্ধান্তের সুযোগ দেওয়া হয়, তখন তার পছন্দ বা অপছন্দকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • বারীরা নিজের সিদ্ধান্ত স্পষ্টভাবে প্রকাশ করেছিলেন।
  • এখতিয়ার পাওয়ার পর জোর করে থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়নি।
  • বর্ণনায় তার স্বামীর অবস্থা সম্পর্কে আলাদা তথ্য এসেছে।
  • ব্যক্তিগত অনীহা দাম্পত্য সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন