১৩/১৯. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২২৩৪ - বারীরাকে এখতিয়ার দেওয়া
স্বাধীন কিংবা গোলামের দাসী স্ত্রী আযাদ হলে
বারীরাকে স্বামী বিষয়ে এখতিয়ার দেওয়ার হাদিস
সুনানে আবূ দাউদ : ২২৩৪
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২২৩৪
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ، وَالْوَلِيدُ بْنُ عُقْبَةَ، عَنْ زَائِدَةَ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ بَرِيرَةَ، خَيَّرَهَا رَسُولُ اللَّهِ ﷺ وَكَانَ زَوْجُهَا عَبْدًا.
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বারীরাহ্কে এখতিয়ার দিয়েছিলেন। তাঁর স্বামী ছিলো ক্রীতদাস।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২২৩৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি সংক্ষিপ্ত হলেও বারীরার ঘটনার মূল কথাটি স্পষ্ট করে। আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বারীরাকে এখতিয়ার দিয়েছিলেন এবং তার স্বামী ছিল গোলাম। এখানে দীর্ঘ কথোপকথন নেই, কিন্তু আগের বর্ণনাগুলোর আলোকে মূল বিষয়টি পরিষ্কার হয়। বারীরাকে নিজের দাম্পত্য সম্পর্ক চালিয়ে যাওয়া বা না চালানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। তবে এই বর্ণনায় বিশেষভাবে বলা হয়েছে, তার স্বামী ছিল গোলাম। তাই হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, বারীরার বিশেষ অবস্থায় তাকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার দেওয়া হয়েছিল। দাম্পত্য সম্পর্কের বিষয়ে জোর নয়, বরং নির্দিষ্ট শরয়ী অবস্থায় ব্যক্তির অধিকারকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বারীরাকে স্বামী বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার দেওয়া হয়।
- তার স্বামী গোলাম ছিল—এ তথ্যটি বর্ণনায় গুরুত্বপূর্ণ।
- সংক্ষিপ্ত বর্ণনাও মূল ঘটনা বুঝতে সাহায্য করে।
- দাম্পত্য বিষয়ে নির্দিষ্ট অবস্থার অধিকার বিবেচনা করা হয়েছে।
