১৩/১৯. অধ্যায়ঃ

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২২৩৩ - বারীরার স্বামী দাস ছিল

স্বাধীন কিংবা গোলামের দাসী স্ত্রী আযাদ হলে

বারীরার ঘটনা: স্বামী দাস হলে এখতিয়ার

সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২২৩৩

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، فِي قِصَّةِ بَرِيرَةَ قَالَتْ كَانَ زَوْجُهَا عَبْدًا فَخَيَّرَهَا رَسُولُ اللَّهِ ﷺ فَاخْتَارَتْ نَفْسَهَا وَلَوْ كَانَ حُرًّا لَمْ يُخَيِّرْهَا .

'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

বারীরাহর ঘটনা প্রসঙ্গে বর্ণিত। তিনি বলেন, তার স্বামী একজন গোলাম ছিলো। নবী (ﷺ) তাকে স্বামীর ব্যাপারে এখতিয়ার প্রদান করায় সে নিজেকে স্বামী থেকে বিচ্ছিন্ন করে নেয়। স্বামী আযাদ হলে তাতে এখতিয়ার থাকতো না।

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২২৩৩-এর সারসংক্ষেপ

এই বর্ণনায় আয়িশা (রাঃ) বারীরার ঘটনার ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি বলেন, বারীরার স্বামী একজন দাস ছিল। নবী صلى الله عليه وسلم তাকে স্বামীর ব্যাপারে এখতিয়ার দেন। বারীরা নিজের জন্য বিচ্ছেদ বেছে নেয়। আয়িশা (রাঃ) আরও বলেন, যদি তার স্বামী স্বাধীন হতো, তাহলে তাকে এভাবে এখতিয়ার দেওয়া হতো না। এই হাদিসে মূল বিষয় হলো বারীরার বিশেষ অবস্থায় তাকে দেওয়া সিদ্ধান্তের অধিকার। এখানে দাম্পত্য সম্পর্কের সাধারণ সব বিধান বলা হয়নি; বরং বারীরার ঘটনার নির্দিষ্ট কারণ ও ফল জানানো হয়েছে। তাই এ হাদিস বুঝতে স্বামীর দাস হওয়া এবং বারীরার মুক্ত হওয়া—এই দুই বিষয় গুরুত্বপূর্ণ।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • বারীরার এখতিয়ার তার স্বামীর দাস হওয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিল।
  • বারীরা নিজের জন্য বিচ্ছেদ বেছে নিয়েছিলেন।
  • আয়িশা (রাঃ) ঘটনার কারণ স্পষ্ট করেছেন।
  • বিশেষ ঘটনার হাদিস বুঝতে তার শর্তগুলো দেখা দরকার।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন