১৩/১৯. অধ্যায়ঃ

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২২৩২ - বারীরার এখতিয়ার ও ইদ্দত

স্বাধীন কিংবা গোলামের দাসী স্ত্রী আযাদ হলে

বারীরার মুক্তির পর স্বামী বেছে নেওয়ার এখতিয়ার

সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২২৩২

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَفَّانُ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ زَوْجَ، بَرِيرَةَ كَانَ عَبْدًا أَسْوَدَ يُسَمَّى مُغِيثًا فَخَيَّرَهَا - يَعْنِي النَّبِيَّ ﷺ - وَأَمَرَهَا أَنْ تَعْتَدَّ .

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

বারীরাহ্‌র স্বামী এক কালো বর্ণের ক্রীতদাস ছিলেন। যার নাম মুগীস। বারীরাহ মুক্ত হবার পর এ স্বামী গ্রহণ করা অথবা বর্জনের ব্যাপারে নবী (ﷺ) তাকে এখতিয়ার দিয়ে ইদ্দাত পালনের নির্দেশ দিয়েছিলেন।

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২২৩২-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে বারীরার ঘটনার আরেকটি দিক এসেছে। তার স্বামী মুগীস ছিলেন কালো বর্ণের একজন ক্রীতদাস। বারীরা মুক্ত হওয়ার পর নবী صلى الله عليه وسلم তাকে স্বামী গ্রহণ বা বর্জনের ব্যাপারে এখতিয়ার দেন এবং তাকে ইদ্দত পালনের নির্দেশ দেন। এখানে মূল বিষয় হলো মুক্ত হওয়ার পর বারীরার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের সুযোগ। হাদিসটি দাম্পত্য সম্পর্ক, দাসত্ব থেকে মুক্তি এবং স্বামীর অবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি বিশেষ ঘটনার কথা জানায়। এতে বোঝা যায়, নবী صلى الله عليه وسلم বারীরাকে নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দিয়েছেন। তবে হাদিসের ভাষা যতটুকু বলেছে, ব্যাখ্যাও ততটুকুতেই সীমিত থাকা দরকার। বারীরার এখতিয়ার ও ইদ্দত—এই দুই বিষয় এখানে প্রধান।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • বারীরা মুক্ত হওয়ার পর স্বামী বিষয়ে তাকে এখতিয়ার দেওয়া হয়।
  • এখতিয়ারের সঙ্গে ইদ্দত পালনের নির্দেশও এসেছে।
  • নবী صلى الله عليه وسلم ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের জায়গা পরিষ্কার করেছেন।
  • এই ঘটনা দাম্পত্য বিষয়ে বিশেষ অবস্থার একটি দৃষ্টান্ত।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন