১/৯০. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২২৪ - জানাবতে খাওয়া ও ঘুমের আগে ওজু
যে বলে, অপবিত্র ব্যক্তি ওজু করবে
জানাবত অবস্থায় খাওয়া বা ঘুমের আগে ওজু
সুনানে আবূ দাউদ : ২২৪
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২২৪
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ كَانَ إِذَا أَرَادَ أَنْ يَأْكُلَ أَوْ يَنَامَ تَوَضَّأَ . تَعْنِي وَهُوَ جُنُبٌ .
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) অপবিত্র অবস্থায় খানা খাওয়ার অথবা ঘুমাবার ইচ্ছা করলে ওজু করে নিতেন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২২৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়িশা (রাঃ) জানান, নবী (صلى الله عليه وسلم) অপবিত্র অবস্থায় খাদ্য গ্রহণ অথবা ঘুমানোর ইচ্ছা করলে ওজু করতেন। বর্ণনায় স্পষ্ট করা হয়েছে, এখানে তাঁর জানাবত অবস্থার কথা বলা হয়েছে। তাই হাদিসের মূল বিষয় হলো জানাবত অবস্থায় খাওয়া ও ঘুমের আগে ওজু করা। এটি এমন এক সহজ শিক্ষা, যেখানে পরিচ্ছন্নতা ও দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজন একসাথে রাখা হয়েছে। হাদিসে দীর্ঘ ব্যাখ্যা নেই; বরং নবীজির আমল সংক্ষেপে বলা হয়েছে। তাই এর বাইরে অতিরিক্ত দাবি করা ঠিক নয়। বলা যায়, জানাবাতের গোসল তখনো না হলেও খাওয়া বা ঘুমের আগে ওজু করা পবিত্রতার প্রতি যত্ন প্রকাশ করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- অপবিত্র অবস্থায় খাওয়া বা ঘুমের আগে ওজু করার শিক্ষা আছে।
- দৈনন্দিন কাজের মধ্যেও পরিচ্ছন্নতা রক্ষা করা দরকার।
- নবীজির আমল সহজ ভাষায় অনুসরণযোগ্য শিক্ষা দেয়।
- হাদিসে যা আছে, ব্যাখ্যায় সেটুকুই ধরে রাখা উচিত।
