১৩/২৭. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২২৫২ - লি‘আনের সন্তানের মিরাস
লি‘আন সম্পর্কে
লি‘আনের সন্তানের মিরাস: মা ও সন্তানের অধিকার
সুনানে আবূ দাউদ : ২২৫২
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২২৫২
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ الْعَتَكِيُّ، حَدَّثَنَا فُلَيْحٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ، فِي هَذَا الْحَدِيثِ وَكَانَتْ حَامِلاً فَأَنْكَرَ حَمْلَهَا فَكَانَ ابْنُهَا يُدْعَى إِلَيْهَا ثُمَّ جَرَتِ السُّنَّةُ فِي الْمِيرَاثِ أَنْ يَرِثَهَا وَتَرِثَ مِنْهُ مَا فَرَضَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ لَهَا .
সাহল ইবনু সা'দ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
এ হাদীস সম্পর্কে বর্ণিত। উক্ত মহিলা গর্ভবতী ছিল। স্বামী তার গর্ভ অস্বীকার করায় সন্তানটিকে তার মায়ের সাথে সম্পৃক্ত করে ডাকা হতো। অতঃপর মীরাসের ক্ষেত্রে এ নিয়ম বিধিবদ্ধ হয় যে, এ সন্তান তার মায়ের ওয়ারিস হবে এবং আল্লাহর বিধান অনুযায়ী মাতাও সন্তানের ওয়ারিস হবে।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২২৫২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে লি‘আনের ঘটনার একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিণতি এসেছে। মহিলাটি গর্ভবতী ছিল, কিন্তু স্বামী তার গর্ভ অস্বীকার করে। ফলে সন্তানকে তার মায়ের সাথে সম্পৃক্ত করে ডাকা হতো। এরপর মিরাসের ক্ষেত্রে নিয়ম স্থির হয় যে, সন্তান তার মায়ের ওয়ারিস হবে এবং আল্লাহর বিধান অনুযায়ী মা-ও সন্তানের ওয়ারিস হবে। এই হাদিসের মূল বিষয় “লি‘আনের সন্তানের মিরাস”। এখানে “মায়ের সাথে সন্তানের পরিচয়”, “মিরাসের অধিকার” এবং “লি‘আনের পর সন্তান” বিষয়গুলো সরাসরি আছে। হাদিসটি দেখায়, দাম্পত্য বিরোধের পরও সন্তানের অধিকার অবহেলিত নয়। সন্তান ও মায়ের মধ্যে উত্তরাধিকার সম্পর্ক রাখা হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- লি‘আনের সন্তানের পরিচয় মায়ের সাথে যুক্ত হতে পারে।
- মা ও সন্তানের মধ্যে মিরাসের অধিকার বর্ণিত হয়েছে।
- দাম্পত্য বিরোধ সন্তানের অধিকার নষ্ট করার কারণ নয়।
- উত্তরাধিকার আল্লাহর নির্ধারিত বিধান অনুযায়ী হয়।
