১৩/৩৯. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২২৮৮ - তিন তালাকে নাফাকা ও সুকনা
চূড়ান্ত তালাকপ্রাপ্তা মহিলার খোরাকি
তিন তালাকে নাফাকা ও বাসস্থানের আলোচনা
সুনানে আবূ দাউদ : ২২৮৮
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২২৮৮
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، حَدَّثَنَا سَلَمَةُ بْنُ كُهَيْلٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ فَاطِمَةَ بِنْتِ قَيْسٍ، أَنَّ زَوْجَهَا، طَلَّقَهَا ثَلاَثًا فَلَمْ يَجْعَلْ لَهَا النَّبِيُّ ﷺ نَفَقَةً وَلاَ سُكْنَى .
ফাত্বিমাহ্ বিনতু ক্বায়স (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তার স্বামী তাকে তিন তালাক প্রদান করলো, কিন্তু নবী (ﷺ) তাকে তার জন্য খোরাকী ও বাসস্থান কিছুই নির্ধারিত করেননি।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২২৮৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। ফাতিমা বিনত কায়েস (রাঃ)-এর স্বামী তাঁকে তিন তালাক দেন। এরপর নবী (صلى الله عليه وسلم) তাঁর জন্য খোরাক বা বাসস্থান নির্ধারণ করেননি বলে বর্ণনায় এসেছে। এখানে ‘নাফাকা’ মানে খোরাকি, আর ‘সুকনা’ মানে থাকার জায়গা। হাদিসটি আগের দীর্ঘ বর্ণনাগুলোর সারাংশের মতো। তাই এ হাদিস বোঝার সময় ফাতিমা (রাঃ)-এর পূর্ণ ঘটনা, তাঁর ইদ্দত পালন, স্থান পরিবর্তনের অনুমতি এবং সংশ্লিষ্ট আলোচনাগুলোর কথা মাথায় রাখা দরকার। শুধু এই সংক্ষিপ্ত বাক্য থেকে অতিরিক্ত কোনো সাধারণ সিদ্ধান্ত টানা ঠিক নয়। মূল শিক্ষা হলো, তিন তালাকের পর অধিকার নির্ধারণে শরিয়তের নির্দেশ অনুসরণ করা হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- তিন তালাকের পর খোরাক ও বাসস্থানের বিষয়ে নির্দিষ্ট বর্ণনা আছে।
- সংক্ষিপ্ত হাদিস বুঝতে সংশ্লিষ্ট পূর্ণ বর্ণনা দেখা দরকার।
- পারিবারিক অধিকার নির্ধারণে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দেশ গুরুত্বপূর্ণ।
- তালাকের পর দাবিদাওয়া শরিয়তের আলোকে বিচার করতে হয়।
