১৩/৫০. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৩১২ - বাধ্য নারীর জন্য ক্ষমার আশা
ব্যভিচারের পরিণাম
বাধ্য নারীর জন্য আল্লাহর ক্ষমার আশা
সুনানে আবূ দাউদ : ২৩১২
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২৩১২
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ، عَنْ أَبِيهِ، ﴾ وَمَنْ يُكْرِهْهُنَّ فَإِنَّ اللَّهَ مِنْ بَعْدِ إِكْرَاهِهِنَّ غَفُورٌ رَحِيمٌ ﴿ قَالَ قَالَ سَعِيدُ بْنُ أَبِي الْحَسَنِ غَفُورٌ لَهُنَّ الْمُكْرَهَاتِ .
সা'ঈদ ইবনু আবুল হাসান (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
(কোরআনের এ আয়াত) বর্ণনা করেছেন যে, “আর তাদের মধ্যে যারা অপছন্দনীয় কাজ করে, নিশ্চয়ই আল্লাহ তার এ অপছন্দনীয় কাজের পরেও মার্জনাকারী, অনুগ্রহশীল।” রাবী বলেন, সাঈদ ইব্ন আবুল হাসান বলেন, যারা বাধ্য হয়ে অপকর্ম করে, সেই সমস্ত নারীদের জন্য আল্লাহ মার্জনাকারী।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৩১২-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় কুরআনের একটি আয়াতের অংশ ব্যাখ্যা করা হয়েছে। আয়াতে বলা হয়েছে, যারা তাদের অপছন্দের কাজ করতে বাধ্য করা হয়, তাদের বাধ্য করার পর নিশ্চয়ই আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু। রাবীর বর্ণনায় সাঈদ ইবনু আবুল হাসান বলেন, এই ক্ষমা তাদের জন্য, যারা বাধ্য হয়ে অপকর্মে জড়িয়েছে—অর্থাৎ সেই নারীদের জন্য যাদের জোর করা হয়েছে। এখানে মূল বিষয় হলো জোর-জবরদস্তি, ব্যভিচারে বাধ্য করা, এবং বাধ্য নারীর ওপর আল্লাহর ক্ষমা ও রহমতের আশা। হাদিসটি আগের বর্ণনার সঙ্গে মিল রেখে বোঝায়, অন্যায়ের আসল দায় জবরদস্তিকারীর ওপর। যে নারী বাধ্য হয়েছে, তার বিষয়ে আয়াতে দয়া ও ক্ষমার কথা এসেছে। তাই এ বর্ণনা জুলুমের শিকার মানুষের প্রতি ইসলামের কোমল দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- যে নারী জোর করে অপকর্মে বাধ্য হয়, তার বিষয়ে আয়াতে ক্ষমার কথা এসেছে।
- জবরদস্তি করা মানুষকে অন্যায়ের পথে ঠেলে দেয়—এটি গুরুতর বিষয়।
- আল্লাহ বাধ্য অবস্থার বাস্তবতা জানেন।
- অন্যায়ের শিকার ব্যক্তিকে দোষারোপে তাড়াহুড়া করা উচিত নয়।
