১৪/৪. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৩২৩ - রমজান ও জিলহজ্জের মর্যাদা
মাস ঊনত্রিশ দিনেও হয়
দুই ঈদের মাস: রমজান ও জিলহজ্জ
সুনানে আবূ দাউদ : ২৩২৩
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২৩২৩
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، أَنَّ يَزِيدَ بْنَ زُرَيْعٍ، حَدَّثَهُمْ حَدَّثَنَا خَالِدٌ الْحَذَّاءُ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ شَهْرَا عِيدٍ لاَ يَنْقُصَانِ رَمَضَانُ وَذُو الْحِجَّةِ " .
‘আবদূর রহমান ইবনু আবূ বাকরাহ (রহঃ) হতে তার পিতা হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ দুই ঈদের মাস সাধারণত ঊনত্রিশ দিনে হয় না। তা হলো রমাযান এবং যিলহাজ্জ মাস।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৩২৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী صلى الله عليه وسلم বলেছেন, দুই ঈদের মাস সাধারণত কম হয় না—রমজান ও জিলহজ্জ। এখানে ‘দুই ঈদের মাস’ বলতে এমন দুই মাস বোঝানো হয়েছে, যার সঙ্গে মুসলিমদের বড় ইবাদত ও ঈদের সম্পর্ক আছে। রমজানের শেষে ঈদুল ফিতর আসে, আর জিলহজ্জ মাসে হজ্জ, আরাফা, কুরবানি ও ঈদুল আজহা আসে। হাদিসের মূল কথা হলো, এই দুই মাসের মর্যাদা ও আমল মুসলিম জীবনে খুব গুরুত্বপূর্ণ। মাসের দৈর্ঘ্য নিয়ে আলোচনার মধ্যে নবী صلى الله عليه وسلم এ দুই মাসকে আলাদা করে উল্লেখ করেছেন। তাই রমজান ও জিলহজ্জের চাঁদ দেখা, হিসাব রাখা এবং ইবাদতের দিনগুলো ঠিকভাবে পালন করা বিশেষভাবে খেয়াল করার বিষয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রমজান ও জিলহজ্জ মুসলিমদের দুই গুরুত্বপূর্ণ ঈদের মাস।
- এই দুই মাসের আমল ও সময়ের হিসাব বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
- ঈদ, সাওম, হজ্জ ও কুরবানি মাসের চাঁদের সঙ্গে যুক্ত।
- মাসের হিসাব বুঝে ইবাদত করা ইসলামী শিক্ষার অংশ।
