১৪/১৮. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৩৫০ - আজানের সময় খাবার হাতে
খাবার পাত্র হাতে থাকাবস্থায় ফজরের আজান শুনলে
ফজরের আজান শুনে খাবার হাতে থাকলে কী করবে?
সুনানে আবূ দাউদ : ২৩৫০
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২৩৫০
حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى بْنُ حَمَّادٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ «إِذَا سَمِعَ أَحَدُكُمُ النِّدَاءَ وَالإِنَاءُ عَلَى يَدِهِ فَلاَ يَضَعْهُ حَتَّى يَقْضِيَ حَاجَتَهُ مِنْهُ» .
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যখন তোমাদের কেউ ফজরের আজান শুনতে পায় অথচ খাবারের পাত্র তার হাতে থাকে, সে যেন তা রেখে না দেয় যতক্ষণ না তার প্রয়োজন পূরণ হয়।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৩৫০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যখন তোমাদের কেউ ফজরের আজান শুনতে পায় অথচ খাবারের পাত্র তার হাতে থাকে, সে যেন তা রেখে না দেয় যতক্ষণ না তার প্রয়োজন পূরণ হয়। হাদিসটির মূল বিষয় হলো সাহরীর শেষ মুহূর্তে খাবার বা পানীয় হাতে থাকা। এখানে সাধারণভাবে দীর্ঘ সময় ধরে খাওয়ার কথা বলা হয়নি; বরং হাতে থাকা পাত্রের প্রয়োজন পূরণের কথা বলা হয়েছে। তাই সাহরীর সময়, ফজরের আজান এবং খাবার হাতে থাকার অবস্থার একটি নির্দিষ্ট নির্দেশনা এই বর্ণনায় এসেছে। রমজানের সাহরী নিয়ে অযথা ভয় বা তাড়াহুড়া না করে হাদিসের ভাষা বুঝে আমল করা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ফজরের আজান শুনে পাত্র হাতে থাকলে হাদিসে নির্দিষ্ট ছাড়ের কথা এসেছে।
- হাদিসটি হাতে থাকা খাবার বা পানীয়ের অবস্থার সঙ্গে যুক্ত।
- সাহরীর শেষ সময়ে অযথা আতঙ্কিত হওয়া ঠিক নয়।
- আমল করার সময় হাদিসের নির্দিষ্ট ভাষা বুঝে চলা উচিত।
