১৪/২৪. অধ্যায়ঃ

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৩৬০ - বিসাল সাওম নিষেধ

সাওমে বিসাল বা বিরতিহীন রোজা রাখা

বিসাল সাওম নিষেধ: বিরতিহীন রোজা সম্পর্কে নবীজির নির্দেশ

সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২৩৬০

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ نَهَى عَنِ الْوِصَالِ، قَالُوا فَإِنَّكَ تُوَاصِلُ يَا رَسُولَ اللَّهِ ‏.‏ قَالَ «إِنِّي لَسْتُ كَهَيْئَتِكُمْ إِنِّي أُطْعَمُ وَأُسْقَى».

ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বিরতিহীন সাওম পালন করতে নিষেধ করেছেন। লোকেরা বললো, আপনি তো সাওমে বিসাল রাখেন। তিনি বললেনঃ আমার অবস্থা তোমাদের মতো নয়। কেননা আমাকে পানাহার করানো হয়।

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৩৬০-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে ইবনু উমর (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বিরতিহীন সাওম বা বিসাল রাখতে নিষেধ করেছেন। লোকেরা বলল, আপনি তো বিসাল রাখেন। তখন তিনি বললেন, আমার অবস্থা তোমাদের মতো নয়; আমাকে পানাহার করানো হয়। হাদিসটির মূল শিক্ষা হলো, নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর বিশেষ অবস্থাকে সাধারণ মানুষের জন্য নিয়ম বানানো যাবে না। সাওমের ক্ষেত্রে সীমা আছে এবং ইফতার না করে একের পর এক সাওম চালিয়ে যাওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এখানে উম্মতের জন্য সহজতা ও নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর বিশেষ মর্যাদার কথা একসঙ্গে এসেছে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • বিরতিহীন সাওম থেকে নবী (صلى الله عليه وسلم) নিষেধ করেছেন।
  • নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর কিছু বিশেষ অবস্থা উম্মতের মতো নয়।
  • ইবাদতে নিজের সামর্থ্য ও শরীরের সীমা বিবেচনা করা দরকার।
  • সাওম পালনে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর সাধারণ নির্দেশনাই অনুসরণযোগ্য।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন