১৪/৪০. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৩৯৯ - রমজানের কাজা শাবানে আদায়
রমজানের কাজা সওম আদায়ে বিলম্ব করা
রমজানের কাজা সাওম শাবানে আদায়
সুনানে আবূ দাউদ : ২৩৯৯
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২৩৯৯
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّهُ سَمِعَ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - تَقُولُ إِنْ كَانَ لَيَكُونُ عَلَىَّ الصَّوْمُ مِنْ رَمَضَانَ فَمَا أَسْتَطِيعُ أَنْ أَقْضِيَهُ حَتَّى يَأْتِيَ شَعْبَانُ.
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
যদি আমার উপর রমযানের ক্বাযা সাওম থাকতো, তাহলে শা‘বান মাস আসার আগে আমি তা আদায় করতে সক্ষম হতাম না।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৩৯৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়িশা (রাঃ) বলেন, তাঁর ওপর রমজানের কাজা সাওম থাকলে তিনি শাবান মাস আসার আগে তা আদায় করতে সক্ষম হতেন না। হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু “রমজানের কাজা রোজা কখন রাখা যায়” এমন প্রশ্নে গুরুত্বপূর্ণ। এখানে সরাসরি এসেছে যে, কাজা সাওম শাবান পর্যন্ত বিলম্বিত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তবে বর্ণনায় বিলম্বের সব কারণ বিস্তারিত বলা হয়নি। তাই ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত কারণ যোগ করা ঠিক নয়। “কাজা রোজা”, “শাবানে কাজা সাওম”, “রমজানের বাকি রোজা”—এসব অনুসন্ধানে এই হাদিসটি প্রাসঙ্গিক। এই বর্ণনা আমাদের শেখায়, কাজা সাওম একটি দায়িত্ব; আয়িশা (রাঃ) সুযোগ হলে তা আদায় করতেন। হাদিসের ভাষা সংক্ষিপ্ত, তাই তার সীমা মেনে কথা বলা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রমজানের কাজা সাওম আদায়ের বিষয়টি সাহাবিয়ারা গুরুত্ব দিতেন।
- কাজা সাওম শাবান পর্যন্ত বিলম্বিত হওয়ার বর্ণনা এসেছে।
- সংক্ষিপ্ত বর্ণনায় অতিরিক্ত কারণ নিজের থেকে যোগ করা ঠিক নয়।
- অবশিষ্ট সাওমের দায়িত্ব মনে রাখা দরকার।
