১৫/৮০. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৬০১ - বিদায়ের দোয়া ও আমানতের হেফাজত
বিদায়ের সময় দোয়া
বিদায়ের দোয়া: দীন ও আমানতের হেফাজত
সুনানে আবূ দাউদ : ২৬০১
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২৬০১
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ إِسْحَاقَ السَّيْلَحِينِيُّ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي جَعْفَرٍ الْخَطْمِيِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ كَعْبٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ الْخَطْمِيِّ، قَالَ كَانَ النَّبِيُّ ﷺ إِذَا أَرَادَ أَنْ يَسْتَوْدِعَ الْجَيْشَ قَالَ «أَسْتَوْدِعُ اللَّهَ دِينَكُمْ وَأَمَانَتَكُمْ وَخَوَاتِيمَ أَعْمَالِكُمْ» .
‘আবদুল্লাহ আল-খাত্বমী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) কোন সেনাবাহিনীকে বিদায় দেয়ার সময় বলতেনঃ “আমি আল্লাহর নিকট তোমাদের দীন, আমানাত ও সর্বশেষ আমলের হিফাযাতের জন্য দোয়া করছি”।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৬০১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সফর বা অভিযানে বের হওয়ার সময় নবী صلى الله عليه وسلم যে সুন্দর বিদায়ের দোয়া করতেন, তা শেখানো হয়েছে। তিনি সেনাবাহিনীকে বিদায় দেওয়ার সময় আল্লাহর কাছে তাদের দীন, আমানত এবং জীবনের শেষ আমলের হেফাজত চাইতেন। এখানে মূল শিক্ষা হলো, মানুষের নিরাপত্তা শুধু শরীর বা সম্পদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; তার ঈমান, দায়িত্ববোধ ও শেষ পরিণতির জন্যও দোয়া করা দরকার। বিদায়ের দোয়া মুসলিম জীবনের একটি সুন্দর আদব। কেউ দূরে গেলে শুধু শুভকামনা নয়, আল্লাহর কাছে তার দীন ও আমানত রক্ষার আবেদন করাই উত্তম। এই দোয়ায় সফরের দোয়া, আমানতের হেফাজত এবং নেক শেষ আমলের কথা একসাথে এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিদায়ের সময় আল্লাহর কাছে দীন ও আমানতের হেফাজত চাওয়া নবী صلى الله عليه وسلم-এর শিক্ষা।
- সফর বা দায়িত্বে বের হওয়া ব্যক্তির জন্য শুধু নিরাপত্তা নয়, ঈমানের স্থিরতার দোয়াও করা উচিত।
- মানুষের শেষ আমল ভালো হওয়ার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করা গুরুত্বপূর্ণ।
- সেনাবাহিনী বা দলের জন্য দোয়া করার মধ্যে নেতৃত্বের দায়িত্ববোধ দেখা যায়।
