১৬/২০. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৮৩৩ - আতীরাহ ও ফারাআর পরিচয়
আতীরাহ বা রজব মাসের কুরবানী
আতীরাহ ও ফারাআ: বর্ণনা ও ব্যাখ্যা
সুনানে আবূ দাউদ : ২৮৩৩
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২৮৩৩
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ خُثَيْمٍ، عَنْ يُوسُفَ بْنِ مَاهَكَ، عَنْ حَفْصَةَ بِنْتِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ أَمَرَنَا رَسُولُ اللَّهِ ﷺ مِنْ كُلِّ خَمْسِينَ شَاةً شَاةٌ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ قَالَ بَعْضُهُمُ الْفَرَعُ أَوَّلُ مَا تُنْتَجُ الإِبِلُ كَانُوا يَذْبَحُونَهُ لِطَوَاغِيتِهِمْ ثُمَّ يَأْكُلُونَهُ وَيُلْقَى جِلْدُهُ عَلَى الشَّجَرِ وَالْعَتِيرَةُ فِي الْعَشْرِ الأُوَلِ مِنْ رَجَبٍ .
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদেরকে প্রতি পঞ্চাশটি বকরীতে একটি বকরী ‘আতীরাহ করতে আদেশ করেছেন।
আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, কতিপয় লোকের উক্তি হচ্ছে, ‘ফারা’আ হলো উটের প্রথম বাচ্চা, যা জাহিলী যুগের লোকেরা তাদের দেবতার সন্তুষ্টির জন্য উৎসর্গ করতো। তারা এর গোশত খেতো এবং এর চামড়া গাছে ঝুলিয়ে রাখতো। ‘আতীরাহ হচ্ছে রজব মাসের প্রথম দশ দিনের কুরবানী।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৮৩৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم প্রতি পঞ্চাশটি বকরিতে একটি বকরি আতীরাহ করতে আদেশ করেছেন। এরপর আবু দাউদ (রহঃ) কিছু লোকের বক্তব্য উল্লেখ করেন। তাঁদের মতে, ফারাআ হলো উটের প্রথম বাচ্চা, যা জাহিলি যুগের লোকেরা দেবতার সন্তুষ্টির জন্য উৎসর্গ করত। তারা তার গোশত খেত এবং চামড়া গাছে ঝুলিয়ে রাখত। আর আতীরাহ বলা হতো রজব মাসের প্রথম দশ দিনের কুরবানিকে। এই হাদিসে মূল বিষয় হলো, ফারাআ ও আতীরাহ নামে পরিচিত রীতিগুলোর পরিচয় এবং যবেহের সঙ্গে জড়িত পুরোনো প্রথা। ব্যাখ্যায় একই অধ্যায়ের অন্য বর্ণনাগুলো মিলিয়ে সতর্কভাবে বোঝা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আতীরাহ ও ফারাআ নামে পুরোনো কিছু যবেহ-রীতি ছিল।
- ফারাআকে উটের প্রথম বাচ্চা হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
- আতীরাহকে রজবের প্রথম দশ দিনের কুরবানি বলা হয়েছে।
- যবেহের উদ্দেশ্য ও পদ্ধতি পরিষ্কার থাকা দরকার।
