২০/১৬. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৯৫৭ - যুদ্ধে অংশগ্রহণের বয়স বিবেচনা
কত বছর বয়সে সেনাবাহিনীতে যোগদান করা যায়
যুদ্ধে অংশগ্রহণে বয়স ও সক্ষমতার বিবেচনা
সুনানে আবূ দাউদ : ২৯৫৭
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ২৯৫৭
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، أَخْبَرَنِي نَافِعٌ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ عُرِضَهُ يَوْمَ أُحُدٍ وَهُوَ ابْنُ أَرْبَعَ عَشْرَةَ فَلَمْ يُجِزْهُ وَعُرِضَهُ يَوْمَ الْخَنْدَقِ وَهُوَ ابْنُ خَمْسَ عَشْرَةَ سَنَةً فَأَجَازَهُ .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তাঁকে উহুদ যুদ্ধের দিন নবী (ﷺ) এর সম্মুখে উপস্থিত করা হলো। তখন তাঁর বয়স চৌদ্দ বছর। তিনি তাঁকে যুদ্ধে অংশ গ্রহণের অনুমতি দেননি। অতঃপর খন্দকের যুদ্ধের সময় পনের বছর বয়সে তাঁকে আবারো তাঁর সামনে পেশ করা হলে তিনি তাঁকে অনুমতি দিলেন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ২৯৫৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইবনু উমর (রাঃ)-এর ঘটনা এসেছে। উহুদ যুদ্ধের দিন তাঁকে নবী صلى الله عليه وسلم-এর সামনে পেশ করা হয়। তখন তাঁর বয়স ছিল চৌদ্দ বছর। নবী صلى الله عليه وسلم তাঁকে যুদ্ধে অংশগ্রহণের অনুমতি দেননি। পরে খন্দক যুদ্ধের সময় তাঁকে আবার পেশ করা হয়। তখন তাঁর বয়স পনেরো বছর। নবী صلى الله عليه وسلم এবার তাঁকে অনুমতি দেন। এখানে যুদ্ধ, বয়স, দায়িত্ব এবং সক্ষমতার বিষয় এসেছে। হাদিসটি দেখায়, বড় দায়িত্বে শুধু আগ্রহ যথেষ্ট নয়; বয়স ও প্রস্তুতিও বিবেচনা করা হয়। উহুদে অনুমতি না দেওয়া এবং খন্দকে অনুমতি দেওয়ার মধ্যে একটি বাস্তব পার্থক্য ছিল—বয়স ও সক্ষমতার বিবেচনা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বড় দায়িত্বে বয়স ও সক্ষমতা বিবেচনা করা হয়।
- শুধু আগ্রহ থাকলেই যুদ্ধের মতো কাজের অনুমতি দেওয়া হয়নি।
- নবী صلى الله عليه وسلم তরুণদের ক্ষেত্রেও দায়িত্বের সীমা দেখেছেন।
- দায়িত্ব দেওয়ার আগে প্রস্তুতি যাচাই করা দরকার।
