১/১১৬. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩০২ - ইস্তিহাযা শেষে দৈনিক গোসলের নির্দেশ
যে বলে, মুস্তাহাযা প্রতিদিন গোসল করবে, কিন্তু এ কথা বলেনি যে, যুহরের ওয়াক্তে গোসল করবে
ইস্তিহাযা আক্রান্ত নারীর হায়িয শেষে গোসলের নিয়ম
সুনানে আবূ দাউদ : ৩০২
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩০২
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي إِسْمَاعِيلَ، - وَهُوَ مُحَمَّدُ بْنُ رَاشِدٍ - عَنْ مَعْقِلٍ الْخَثْعَمِيِّ، عَنْ عَلِيٍّ، - رضى الله عنه - قَالَ الْمُسْتَحَاضَةُ إِذَا انْقَضَى حَيْضُهَا اغْتَسَلَتْ كُلَّ يَوْمٍ وَاتَّخَذَتْ صُوفَةً فِيهَا سَمْنٌ أَوْ زَيْتٌ .
আলী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
ইস্তিহাযা আক্রান্ত মহিলার হায়িযকাল অতিক্রান্ত হয়ে গেলে প্রত্যেক দিন গোসল করবে এবং লজ্জাস্থানে ঘি অথবা তেলবিশিষ্ট নেকড়া ব্যবহার করবে।
[৩০১] এর সানাদে মুহাম্মাদ ইবনু রাশিদ সম্পর্কে হাফিয বলেনঃ সত্যবাদী, তবে সন্দেহ আছে। তার প্রতি ক্বাদরীয়াপন্থী বলে আরোপ রয়েছে। এবং সানাদের মা’কাল আল খাস‘আমী সম্পর্কে হাফিয বলেনঃ তিনি অজ্ঞাত।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩০২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আলী (রাঃ)-এর সূত্রে ইস্তিহাযা আক্রান্ত নারীর একটি নির্দিষ্ট আমলের কথা এসেছে। বলা হয়েছে, মুস্তাহাযা নারীর হায়িযকাল শেষ হয়ে গেলে সে প্রত্যেক দিন গোসল করবে। এর পাশাপাশি লজ্জাস্থানে ঘি অথবা তেলযুক্ত নেকড়া ব্যবহার করার কথা বলা হয়েছে। এখানে মূল বিষয় হলো, হায়িযের সময় শেষ হওয়ার পর ইস্তিহাযার রক্ত চলতে থাকলেও নারী নিজের পবিত্রতা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকে খেয়াল রাখবে। হাদিসটি ইস্তিহাযা অবস্থায় গোসলের নিয়ম, দৈনিক পরিচ্ছন্নতা এবং রক্তস্রাব নিয়ন্ত্রণের একটি সহজ নির্দেশনা দেয়। এতে অতিরিক্ত ব্যাখ্যা বা অন্য কোনো ঘটনা নেই; তাই বিষয়টি এই সীমার মধ্যেই বোঝা উচিত। সার্চে যারা ‘মুস্তাহাযার গোসল’ বা ‘ইস্তিহাযা অবস্থায় করণীয়’ খোঁজেন, তাদের জন্য হাদিসটির মূল বার্তা খুবই সরল।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হায়িযের দিন শেষ হলে মুস্তাহাযা নারী গোসল করে পবিত্রতার চেষ্টা করবে।
- প্রতিদিন গোসলের কথা এই বর্ণনায় সরাসরি এসেছে।
- রক্তস্রাবের স্থানে তেল বা ঘি-যুক্ত নেকড়া ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।
- ইস্তিহাযা অবস্থায় পরিচ্ছন্নতা রক্ষার দিকে বিশেষ খেয়াল রাখা দরকার।
