১/১১৯. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩০৬ - মুস্তাহাযার ওজু নিয়ে মত
কেবল ওযু নষ্ট হলেই মুস্তাহাযাকে ওযু করতে হবে
মুস্তাহাযা নারীর প্রত্যেক সালাতে ওজু কি জরুরি?
সুনানে আবূ দাউদ : ৩০৬
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩০৬
حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ شُعَيْبٍ، حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ، عَنْ رَبِيعَةَ، أَنَّهُ كَانَ لاَ يَرَى عَلَى الْمُسْتَحَاضَةِ وُضُوءًا عِنْدَ كُلِّ صَلاَةٍ إِلاَّ أَنْ يُصِيبَهَا حَدَثٌ غَيْرُ الدَّمِ فَتَوَضَّأُ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ هَذَا قَوْلُ مَالِكٍ يَعْنِي ابْنَ أَنَسٍ .
রবী‘আহ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
তার অভিমত হলো, মুস্তাহাযার প্রত্যেক সালাতের পূর্বে ওজু করার প্রয়োজন নেই। কিন্তু যদি তার ওজু নষ্ট হয়ে যায়, অবশ্যই ইস্তিহাযা ছাড়া, তাহলে ওজু করে নিবে।
ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, মালিক ইবনু আনাসের মত এটাই।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩০৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে মুস্তাহাযা নারীর ওজু সম্পর্কে একটি আলাদা মত এসেছে। বর্ণনায় বলা হয়েছে, তার প্রত্যেক সালাতের আগে ওজু করার প্রয়োজন নেই। তবে যদি ইস্তিহাযার রক্ত ছাড়া অন্য কোনো কারণে তার ওজু নষ্ট হয়, তখন সে ওজু করবে। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) উল্লেখ করেছেন, মালিক ইবনু আনাসের মতও এটাই। এখানে গুরুত্বপূর্ণ হলো, এই বর্ণনা সরাসরি একটি মত তুলে ধরে; তাই অন্য বর্ণনার সঙ্গে মেলানোর সময় সতর্কভাবে বোঝা দরকার। এই হাদিস থেকে ইস্তিহাযা, ওজু নষ্ট হওয়া এবং সালাতের প্রস্তুতি নিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত দৃষ্টিভঙ্গি পাওয়া যায়। এতে বাড়তি কোনো দাবি করা হয়নি; শুধু বলা হয়েছে, রক্ত ছাড়া অন্য হাদাস ঘটলে ওজু করবে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- এই বর্ণনায় প্রত্যেক সালাতের আগে ওজু জরুরি নয়—এ মত এসেছে।
- ইস্তিহাযা ছাড়া অন্য কারণে ওজু ভাঙলে ওজু করতে বলা হয়েছে।
- মালিক ইবনু আনাসের মত হিসেবে এই বক্তব্য উল্লেখ করা হয়েছে।
- একই বিষয়ে ভিন্ন বর্ণনা থাকলে সতর্কভাবে বুঝতে হয়।
