২০/৩৭. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩০৭৩ - পতিত জমি আবাদ ও অধিকার
অনাবাদী জমি আবাদ করা সম্পর্কে
পতিত জমি আবাদ করলে অধিকার কার
সুনানে আবূ দাউদ : ৩০৭৩
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩০৭৩
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ، حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ زَيْدٍ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ «مَنْ أَحْيَا أَرْضًا مَيْتَةً فَهِيَ لَهُ وَلَيْسَ لِعِرْقٍ ظَالِمٍ حَقٌّ " .
সা'ঈদ ইবনু যায়দ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেনঃ কেউ কোন পতিত জমি আবাদ করলে সেটা তারই। অন্যায়ভাবে দখলকারীর পরিশ্রমের কোন মূল্য নাই।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩০৭৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেন, যে ব্যক্তি কোনো পতিত জমি আবাদ করবে, সেটি তার। এরপর বলা হয়েছে, অন্যায়ভাবে দখলকারীর পরিশ্রমের কোনো অধিকার নেই। এখানে দুটি দিক আছে। প্রথমত, অনাবাদী বা মৃত জমিকে আবাদ করা একটি স্বীকৃত কাজ হিসেবে এসেছে। দ্বিতীয়ত, অন্যের জমিতে বা অন্যায়ভাবে দখল করে কাজ করলে শুধু পরিশ্রমের কারণে অধিকার তৈরি হয় না। তাই পতিত জমি আবাদ, জমির মালিকানা এবং অন্যায় দখল—এই তিনটি বিষয় হাদিসে একসাথে এসেছে। হাদিসটি মানুষকে কাজ ও আবাদে উৎসাহ দেয়, কিন্তু একই সঙ্গে সীমা শেখায়। বৈধ আবাদ অধিকার সৃষ্টি করতে পারে, কিন্তু জুলুম করে দখল করলে তা গ্রহণযোগ্য নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- পতিত জমি আবাদ করা বৈধ অধিকার সৃষ্টি করতে পারে।
- অন্যায় দখল করে শ্রম দিলে সেই শ্রম অধিকার তৈরি করে না।
- জমির মালিকানা বিষয়ে আবাদ ও ন্যায়ের সম্পর্ক আছে।
- কাজের মূল্য আছে, তবে তা অন্যের হক নষ্ট করে হলে গ্রহণযোগ্য নয়।
