২১/২৯. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩১২৮ - বিলাপকারিণীর ব্যাপারে সতর্কতা
বিলাপ করে কান্নাকাটি করা
বিলাপকারিণী ও শ্রবণকারিণীর জন্য সতর্কতা
সুনানে আবূ দাউদ : ৩১২৮
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩১২৮
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَبِيعَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ عَطِيَّةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ لَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ النَّائِحَةَ وَالْمُسْتَمِعَةَ .
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বিলাপকারিণী ও তা শ্রবণকারিণীকে অভিশম্পাত করেছেন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩১২৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বিলাপকারিণী এবং তা শ্রবণকারিণীর ব্যাপারে অভিশাপের কথা বলেছেন। এখানে মূল বিষয় হলো মৃত্যুশোকে নিয়াহা বা বিলাপের প্রতি কঠোর সতর্কতা। শুধু যে ব্যক্তি বিলাপ করে, সে-ই নয়; যে ব্যক্তি তা শুনে সমর্থন, উৎসাহ বা অংশগ্রহণের মতো অবস্থায় থাকে, তার ব্যাপারেও সতর্কতা এসেছে। তাই এই হাদিস শোকের পরিবেশে সমাজের ভূমিকা শেখায়। কারও বাড়িতে মৃত্যু হলে মানুষকে শান্ত করা, ধৈর্যের কথা বলা এবং অতিরিক্ত বিলাপ থামাতে সাহায্য করা উচিত। শোককে এমন পথে নেওয়া ঠিক নয়, যা নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর নিষেধের মধ্যে পড়ে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিলাপ করা এবং বিলাপকে সমর্থন করা—দুই বিষয়েই সতর্কতা আছে।
- শোকের পরিবেশে অন্যদের শান্ত করতে সাহায্য করা উচিত।
- মৃত্যুর সময় ধৈর্য ও সংযমের শিক্ষা পরিবার ও সমাজের জন্য জরুরি।
