২১/৩১. অধ্যায়ঃ

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩১৩৬ - হামজা (রাঃ) ও উহুদের শহীদ

শহীদকে গোসল দিবে কিনা?

হামজা (রাঃ), কম কাপড় ও শহীদদের দাফনের আদব

সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩১৩৬

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا زَيْدٌ، - يَعْنِي ابْنَ الْحُبَابِ - ح وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو صَفْوَانَ، - يَعْنِي الْمَرْوَانِيَّ - عَنْ أُسَامَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، - الْمَعْنَى - أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ مَرَّ عَلَى حَمْزَةَ وَقَدْ مُثِّلَ بِهِ فَقَالَ " لَوْلاَ أَنْ تَجِدَ صَفِيَّةُ فِي نَفْسِهَا لَتَرَكْتُهُ حَتَّى تَأْكُلَهُ الْعَافِيَةُ حَتَّى يُحْشَرَ مِنْ بُطُونِهَا " . وَقَلَّتِ الثِّيَابُ وَكَثُرَتِ الْقَتْلَى فَكَانَ الرَّجُلُ وَالرَّجُلاَنِ وَالثَّلاَثَةُ يُكَفَّنُونَ فِي الثَّوْبِ الْوَاحِدِ - زَادَ قُتَيْبَةُ - ثُمَّ يُدْفَنُونَ فِي قَبْرٍ وَاحِدٍ فَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ يَسْأَلُ " أَيُّهُمْ أَكْثَرُهُمْ قُرْآنًا " . فَيُقَدِّمُهُ إِلَى الْقِبْلَةِ.

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম হামযাহ (রাঃ)-এর (লাশের) পাশ দিয়ে অতিক্রমকালে দেখলেন, তাঁর লাশ বিকৃত করা হয়েছে। তিনি বললেনঃ সাফিয়্যাহ্‌ (হামযাহ্‌র বোন) যদি কষ্ট না পেতো তাহলে আমি তাঁর লাশ পড়ে থাকতে দিতাম এবং পশুপাখিরা তা খেয়ে নিতো এবং কিয়ামতের দিন তাঁকে এদের পেট থেকেই উত্থিত করা হতো।এ সময় কাফনের কাপড় কম ছিল, কিন্তু মৃতদেহ ছিল অনেক। ফলে এক, দুই, এমনকি তিন ব্যক্তিকে একই কাপড়ে জড়িয়ে কাফন দেয়া হয়। কুতাইবাহ্‌র বর্ণনায় রয়েছেঃ অতঃপর তাঁদেরকে একই কবরে দাফন করা হয়। এ সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম জিজ্ঞেস করতেনঃ এদের মধ্যে কোন ব্যক্তি কোরআন সম্পর্কে অধিক পারদর্শী ছিল। তিনি তাঁকে কেবলাহ্‌র দিকে (ডানে) রাখতেন।

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩১৩৬-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) হামজা (রাঃ)-এর লাশের পাশ দিয়ে যান এবং দেখেন তাঁর দেহ বিকৃত করা হয়েছে। তিনি বলেন, সাফিয়া কষ্ট না পেলে তিনি হামজার দেহ এমনই থাকতে দিতেন এবং কেয়ামতের দিন তাকে সে অবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিতভাবে উঠানো হতো। হাদিসে আরও এসেছে, তখন কাফনের কাপড় কম ছিল এবং মৃতদেহ অনেক ছিল। তাই এক, দুই বা তিন ব্যক্তিকে একই কাপড়ে জড়ানো হতো, এমনকি একই কবরেও দাফন করা হতো। নবীজি জিজ্ঞেস করতেন, তাঁদের মধ্যে কে কুরআন বেশি জানতেন; তাকে কিবলার দিকে অগ্রাধিকার দিতেন। এতে দাফনে বাস্তবতা, মমতা এবং কুরআনজ্ঞানীর সম্মান একসাথে দেখা যায়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • কষ্টের সময় বাস্তব অবস্থা অনুযায়ী দাফনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
  • নবীজি (صلى الله عليه وسلم) সাফিয়া (রাঃ)-এর মানসিক কষ্টের দিক বিবেচনা করেছেন।
  • কুরআন বেশি জানা ব্যক্তিকে দাফনে সম্মান দেওয়ার বর্ণনা এসেছে।
  • শহীদদের দাফনে মমতা ও শৃঙ্খলা দুটোই রাখা হয়েছে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন