২২/১৪. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩২৭১ - শপথের কাফফারা সম্পর্কে বর্ণনা
আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করার শপথ করা
শপথের কাফফারা: বর্ণনার সীমা
সুনানে আবূ দাউদ : ৩২৭১
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩২৭১
حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا سَالِمُ بْنُ نُوحٍ، وَعَبْدُ الأَعْلَى، عَنِ الْجُرَيْرِيِّ، عَنْ أَبِي عُثْمَانَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ، بِهَذَا الْحَدِيثِ نَحْوَهُ زَادَ عَنْ سَالِمٍ، فِي حَدِيثِهِ قَالَ : وَلَمْ يَبْلُغْنِي كَفَّارَةً .
‘আবদুর রহমান ইবনু আবূ বকর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। তবে সালিম (রহঃ) সূত্রের বর্ণনায় রয়েছে : তিনি বলেন, তিনি (আবূ বকর) কাফ্ফারাহ দিয়েছিলেন কিনা আমি জানতে পারিনি।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩২৭১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি পূর্বের মেহমানদারির ঘটনার অনুরূপ। তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন আছে—বর্ণনাকারী বলেন, আবু বকর (রাঃ) কাফফারা দিয়েছিলেন কি না, তা তিনি জানতে পারেননি। এই বাক্যটি হাদিস বোঝার ক্ষেত্রে খুব দরকারি। কারণ কোনো ঘটনার সব দিক সব বর্ণনায় পরিষ্কারভাবে আসে না। এখানে আমরা নিশ্চিতভাবে বলতে পারি, ঘটনাটি আগের মতোই মেহমানদারি ও শপথের সাথে যুক্ত; কিন্তু কাফফারা দেওয়া হয়েছে কি না—এ বিষয়ে বর্ণনাকারীর কাছে খবর পৌঁছেনি। তাই এই হাদিস থেকে কাফফারার ব্যাপারে চূড়ান্ত দাবি করা ঠিক নয়। বরং বর্ণনার সীমা মেনে বলা উচিত, এখানে বিষয়টি অনিশ্চিতভাবে এসেছে। এভাবে হাদিস পড়া নিরাপদ ও দায়িত্বশীল।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হাদিসের বর্ণনায় যা নিশ্চিত নয়, তা নিশ্চিতভাবে বলা উচিত নয়।
- শপথ ও কাফফারার বিষয়ে পাঠের ভাষা সাবধানে বুঝতে হয়।
- বর্ণনাকারীর সীমিত জানা বিষয়কেও সম্মান করা দরকার।
