২৩/৩৫. অধ্যায়ঃ

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৪১১ - খায়বারের খারস ও সোনা-রূপার ব্যাখ্যা

বাগান ও জমি বর্গা দেয়া

খারস ও সাফরা-বাইদা: খায়বারের বর্ণনা

সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৪১১

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَهْلٍ الرَّمْلِيُّ، حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ أَبِي الزَّرْقَاءِ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ بُرْقَانَ، بِإِسْنَادِهِ وَمَعْنَاهُ قَالَ فَحَزَرَ وَقَالَ عِنْدَ قَوْلِهِ وَكُلَّ صَفْرَاءَ وَبَيْضَاءَ يَعْنِي الذَّهَبَ وَالْفِضَّةَ لَهُ.

জা’ফার ইবনু বুরক্বান (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ

অনুরূপ অর্থবোধক হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, তিনি (‘আবদুল্লাহ) ফলের পরিমাণ নির্ধারণ করলেন। বর্ণনাকারী বলেন, ‘সাফরা’ ও ‘বাইদা’ এর অর্থ হলোঃ সোনা ও রূপা।

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৪১১-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসটি আগের খায়বার সম্পর্কিত বর্ণনার অনুরূপ অর্থ প্রকাশ করে। এখানে বলা হয়েছে, আবদুল্লাহ ইবনু রাওয়াহা (রাঃ) ফলের পরিমাণ নির্ধারণ করেন। বর্ণনাকারী আরও ব্যাখ্যা করেছেন যে, ‘সাফরা’ ও ‘বাইদা’ বলতে সোনা ও রূপা বোঝানো হয়েছে। তাই এই হাদিসের মূল দিক দুটি। প্রথমত, খায়বারের ফলের পরিমাণ নির্ধারণ বা খারস। দ্বিতীয়ত, আরবি শব্দের ব্যাখ্যা—সাফরা ও বাইদা। এটি বড় কোনো নতুন ঘটনা নয়, বরং আগের ঘটনার অর্থ পরিষ্কার করে। হাদিসটি খায়বার চুক্তি, খারস, ফলের হিসাব এবং সোনা-রূপার মালিকানা বুঝতে সাহায্য করে। এতে দেখা যায়, বর্ণনার শব্দও কখনো ব্যাখ্যা করে দেওয়া হয়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • খায়বারের ফলের পরিমাণ নির্ধারণের বিষয়টি আবার এসেছে।
  • সাফরা ও বাইদা শব্দের অর্থ সোনা ও রূপা বলে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
  • হাদিস বুঝতে শব্দের অর্থ জানা গুরুত্বপূর্ণ।
  • একই ঘটনার অনুরূপ বর্ণনা কখনো অর্থ পরিষ্কার করে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন