২৪/৩. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৪২৩ - রক্তমোক্ষণকারীর মজুরি
রক্তমোক্ষণকারীর উপার্জন
হাজ্জামের মজুরি নিয়ে ভারসাম্যপূর্ণ শিক্ষা
সুনানে আবূ দাউদ : ৩৪২৩
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৪২৩
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ احْتَجَمَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ وَأَعْطَى الْحَجَّامَ أَجْرَهُ وَلَوْ عَلِمَهُ خَبِيثًا لَمْ يُعْطِهِ .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) রক্তমোক্ষণ করালেন। তিনি রক্তমোক্ষণকারীকে পারিশ্রমিক দিলেন। তিনি একে নিকৃষ্ট মনে করলে তাকে দান করতেন না।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৪২৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) রক্তমোক্ষণ করালেন এবং রক্তমোক্ষণকারীকে পারিশ্রমিক দিলেন। তিনি বলেন, যদি তিনি একে নিকৃষ্ট মনে করতেন, তাহলে তাকে দিতেন না। এই বর্ণনাটি রক্তমোক্ষণের উপার্জন বিষয়ক আলোচনায় ভারসাম্য আনে। আগের কিছু বর্ণনায় এই উপার্জন সম্পর্কে কঠোর সতর্কতা আছে, আর এখানে দেখা যায় নবীজি (صلى الله عليه وسلم) নিজে হাজ্জামকে মজুরি দিয়েছেন। তাই হাদিসের মূল শিক্ষা হলো: শিঙ্গা লাগানোর পারিশ্রমিক নিয়ে আলোচনা করতে হলে সব বর্ণনা মিলিয়ে সতর্ক ও সংযতভাবে বোঝা দরকার। এতে হালাল উপার্জন, সেবার বিনিময় এবং অপছন্দনীয় আয়ের সীমা নিয়ে চিন্তা আসে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবীজি (صلى الله عليه وسلم) রক্তমোক্ষণ করিয়ে হাজ্জামকে পারিশ্রমিক দিয়েছেন।
- একটি বিষয়ের সব বর্ণনা মিলিয়ে বোঝা দরকার।
- সেবার বিনিময়ে মজুরি দেওয়ার বিষয়টি এই হাদিসে এসেছে।
- রক্তমোক্ষণের আয় নিয়ে অতিরিক্ত দাবি না করে সতর্ক ভাষা ব্যবহার করা উচিত।
