২৪/২৯. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৪৮১ - অপবিত্র আয় থেকে বাঁচার শিক্ষা
কুকুর বিক্রয় মূল্য সম্পর্কে
হারাম উপার্জন: কুকুরের মূল্য ও গণকের ভেট
সুনানে আবূ দাউদ : ৩৪৮১
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৪৮১
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي مَسْعُودٍ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ أَنَّهُ نَهَى عَنْ ثَمَنِ الْكَلْبِ وَمَهْرِ الْبَغِيِّ وَحُلْوَانِ الْكَاهِنِ .
আবূ মাসঊদ আনসারী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) কুকুর বিক্রয় মূল্য, ব্যভিচারের মাধ্যমে অর্জিত আয় এবং গণকের ভেট নিষিদ্ধ করেছেন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৪৮১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) তিন ধরনের আয় থেকে নিষেধ করেছেন—কুকুর বিক্রির মূল্য, ব্যভিচারের মাধ্যমে অর্জিত আয় এবং গণকের ভেট। মূল শিক্ষা হলো, মুসলিমের উপার্জন শুধু লাভের হিসাব নয়; তা হালাল পথেও হতে হবে। এখানে হারাম উপার্জন, অপবিত্র আয় এবং নিষিদ্ধ লেনদেনের বিষয়টি খুব পরিষ্কারভাবে এসেছে। মানুষ কখনো সহজ লাভের দিকে ঝুঁকে পড়তে পারে, কিন্তু এই হাদিস মনে করিয়ে দেয় যে আয়ের উৎসও গুরুত্বপূর্ণ। গণকের ভেট নেওয়া, অনৈতিক কাজের বিনিময়ে অর্থ নেওয়া বা নিষিদ্ধ জিনিসের মূল্য গ্রহণ করা—এসব থেকে দূরে থাকা ঈমানি সতর্কতার অংশ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- উপার্জনের উৎস হালাল কি না, তা যাচাই করা জরুরি।
- অনৈতিক কাজের বিনিময়ে নেওয়া অর্থ গ্রহণযোগ্য নয়।
- গণকের ভেট ও নিষিদ্ধ লেনদেন থেকে দূরে থাকতে হবে।
- শুধু লাভ নয়, আল্লাহর নিষেধও ব্যবসায় মানতে হবে।
