২৫/১১. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৫৯৩ - মুআযের বিচার পদ্ধতির বর্ণনা
বিচারকার্য পরিচালনায় ইজতিহাদ করা
মুআয (রাঃ)-এর বিচার পদ্ধতির আরেক বর্ণনা
সুনানে আবূ দাউদ : ৩৫৯৩
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৫৯৩
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ شُعْبَةَ، حَدَّثَنِي أَبُو عَوْنٍ، عَنِ الْحَارِثِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ نَاسٍ، مِنْ أَصْحَابِ مُعَاذٍ عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ لَمَّا بَعَثَهُ إِلَى الْيَمَنِ فَذَكَرَ مَعْنَاهُ .
মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ) সূত্র হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন তাঁকে ইয়ামানে প্রেরণ করলেন... অতঃপর পূর্ববর্তী হাদীসের অনুরূপ।
[৩৫৯৩] তিরমিযি, দারাকুতনি, আহমাদ। ইমাম তিরমিযি বলেন, আমরা হাদিসটির এই সনদ ছাড়া অন্য কোন সনদ অবহিত নই এবং এর সনদ মুত্তাসিল নয়। সনদে বিচ্ছিন্নতা ঘটেছে।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৫৯৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি পূর্ববর্তী বর্ণনার অর্থে এসেছে। এখানে বলা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) যখন মুআয ইবনু জাবাল (রাঃ)-কে ইয়ামানে পাঠালেন, তখন আগের হাদিসের অর্থ উল্লেখ করা হয়েছে। আগের বর্ণনায় বিচার করার ধাপ ছিল: প্রথমে আল্লাহর কিতাব, তারপর রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর সুন্নাত, আর সরাসরি কিছু না পেলে নিজের রায়ে ইজতিহাদ করা এবং অলসতা না করা। এই বর্ণনা সেই শিক্ষাকে শক্তিশালীভাবে মনে করিয়ে দেয়। বিচার কোনো খেয়ালখুশির বিষয় নয়; বরং কুরআন-সুন্নাহর আলোকে সত্য খুঁজে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়। তাই বিচার ফয়সালা, ইজতিহাদ, এবং দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত—এসব ক্ষেত্রে এই হাদিসের শিক্ষা খুব প্রাসঙ্গিক।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিচারে কুরআন ও সুন্নাহর অগ্রাধিকার স্মরণীয়।
- সরাসরি নির্দেশ না পেলে দায়িত্বশীলভাবে ইজতিহাদের কথা এসেছে।
- বিচারকের কাজ অলসতা নয়, সত্য অনুসন্ধান করা।
- একই অর্থের বর্ণনা একটি শিক্ষাকে আরও স্পষ্ট করে।
