২৫/২২. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৬১৫ - সমান সাক্ষ্যে সম্পদ ভাগ
একই বস্তুর দুইজন দাবিদার, অথচ কারোই প্রমাণ নেই
সমান সাক্ষ্যে মালিকানা বিরোধের ফয়সালা
সুনানে আবূ দাউদ : ৩৬১৫
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৬১৫
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، عَنْ قَتَادَةَ، بِمَعْنَى إِسْنَادِهِ أَنَّ رَجُلَيْنِ، ادَّعَيَا بَعِيرًا عَلَى عَهْدِ النَّبِيِّ ﷺ فَبَعَثَ كُلُّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا شَاهِدَيْنِ فَقَسَمَهُ النَّبِيُّ ﷺ بَيْنَهُمَا نِصْفَيْنِ.
ক্বাতাদাহ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
দুই ব্যক্তি নবী (ﷺ)-এর যুগে একই উটের মালিকানা দাবি করলো। উভয়ে দু’জন করে সাক্ষীও পেশ করলো। নবী (ﷺ) উটটি উভয়ের মধ্যে সমানভাগে বণ্টন করলেন।
[১] বায়হাক্বী। এর পূর্বেরটি দেখুন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৬১৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর যুগে দুই ব্যক্তির একই উটের মালিকানা দাবি করার ঘটনা এসেছে। উভয় পক্ষই দুজন করে সাক্ষী পেশ করে। অর্থাৎ শুধু এক পক্ষ নয়, দুই পক্ষই নিজেদের দাবির পক্ষে সাক্ষ্য হাজির করে। তখন নবী (صلى الله عليه وسلم) উটটি উভয়ের মধ্যে সমান ভাগে বণ্টন করেন। এই হাদিসটি প্রমাণ ও সাক্ষ্য থাকা সত্ত্বেও বিরোধের জটিলতা দেখায়। যখন দুই পক্ষের প্রমাণ সমানভাবে দাঁড়ায়, তখন ন্যায়ভিত্তিক ভাগ একটি সমাধান হিসেবে এসেছে। হাদিসটি সম্পদ-বিবাদ, মালিকানা দাবি এবং সাক্ষ্যের ভারসাম্য নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয়। এটি লেনদেনে লিখিত বা স্পষ্ট প্রমাণ রাখার প্রয়োজনও মনে করিয়ে দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দুই পক্ষের সাক্ষ্য থাকলেও বিরোধ জটিল হতে পারে।
- সমান দাবিতে ন্যায়ভিত্তিক ভাগ একটি সমাধান হয়েছে।
- মালিকানা বিষয়ে স্পষ্ট প্রমাণ রাখা জরুরি।
- বিচারে উভয় পক্ষের বক্তব্য ও প্রমাণ বিবেচিত হয়।
