২৫/২৩. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৬১৯ - বিবাদীর কসম
বিবাদীকে শপথ করতে হবে
বিবাদীর ওপর কসম: দাবি প্রমাণের নিয়ম
সুনানে আবূ দাউদ : ৩৬১৯
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৬১৯
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ الْقَعْنَبِيُّ، حَدَّثَنَا نَافِعُ بْنُ عُمَرَ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، قَالَ كَتَبَ إِلَىَّ ابْنُ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَضَى بِالْيَمِينِ عَلَى الْمُدَّعَى عَلَيْهِ.
ইব্নু আবূ মুলাইকাহ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) আমাকে লিখে পাঠালেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বিবাদীকে কসম খাওয়ানোর আদেশ দিয়েছেন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৬১৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে জানানো হয়েছে যে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বিবাদীকে কসম খাওয়ানোর আদেশ দিয়েছেন। হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু বিচার ও দাবি-দাওয়ার ক্ষেত্রে এর শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ। কেউ কোনো দাবি করলে অন্য পক্ষ অর্থাৎ বিবাদীর ওপরও দায় আসে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করার। কসম এখানে আল্লাহর নামে সত্যতা প্রকাশের একটি গুরুতর পদ্ধতি। হাদিসটি বোঝায়, বিচার শুধু বাদীর বক্তব্য শুনে শেষ হয় না; বিবাদীর কথাও যাচাই করা হয়। তবে মিথ্যা কসম দেওয়া বা দাবি অস্বীকারে অসততা করা বিপজ্জনক নৈতিক কাজ। তাই দাবি, প্রমাণ, সাক্ষ্য ও শপথ—সবকিছুর ভিত্তি হওয়া উচিত সত্য।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দাবি উঠলে বিবাদীর বক্তব্যও বিবেচিত হয়।
- বিবাদীকে কসম করানো বিচারিক পদ্ধতির অংশ হতে পারে।
- শপথ আল্লাহর নামে হওয়ায় সত্যের সঙ্গে হওয়া জরুরি।
- দাবি ও অস্বীকার—দুটিতেই সততা দরকার।
