২৬/৩. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৬৫০ - আবু শাহের জন্য লেখা ভাষণের ব্যাখ্যা
জ্ঞানের কথা লিখে রাখা
আবু শাহের জন্য কী লেখা হয়েছিল
সুনানে আবূ দাউদ : ৩৬৫০
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৬৫০
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ سَهْلٍ الرَّمْلِيُّ، قَالَ حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ، قَالَ قُلْتُ لأَبِي عَمْرٍو مَا يَكْتُبُوهُ قَالَ الْخُطْبَةَ الَّتِي سَمِعَهَا يَوْمَئِذٍ مِنْهُ.
আল-ওয়ালীদ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি আবূ ‘আমর (রহঃ)-কে প্রশ্ন করলাম, তাঁরা কী লিখেছেন? তিনি বলেন, সে সময়ে তিনি তাঁর যে ভাষণ শুনেছিলেন তা।
[১] আবূ দাউদ এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৬৫০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আগের বর্ণনার একটি পরিষ্কার জবাব এসেছে। বর্ণনাকারী আবু আমর (রহঃ)-কে জিজ্ঞাসা করেন, তারা কী লিখেছিলেন? তিনি বলেন, সে দিন নবী صلى الله عليه وسلم-এর কাছ থেকে যে ভাষণ আবু শাহ শুনেছিলেন, সেটাই লেখা হয়েছিল। এতে বোঝা যায়, আগের হাদিসে ‘আবু শাহকে লিখে দাও’ কথার অর্থ ছিল নবী صلى الله عليه وسلم-এর সেই দিনের ভাষণ লিখে দেওয়া। এই ছোট বর্ণনা হাদিস লেখা ও জ্ঞান সংরক্ষণের বিষয়ে একটি নির্দিষ্ট দিক পরিষ্কার করে। এখানে কোনো নতুন বিধান যোগ না করে সরাসরি বোঝা যায়, গুরুত্বপূর্ণ কথা শোনার পর তা সংরক্ষণ করার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। তাই সঠিকভাবে শোনা, বোঝা এবং লেখা—তিনটি বিষয়ই দ্বীনি জ্ঞান রক্ষায় সাহায্য করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ধর্মীয় কথা উদ্ধৃত করার সময় কী লেখা হয়েছে তা পরিষ্কার করা দরকার।
- আবু শাহের জন্য নবী صلى الله عليه وسلم-এর শোনা ভাষণই লেখা হয়েছিল।
- সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যাও আগের বর্ণনার অর্থ বুঝতে সাহায্য করে।
- দ্বীনি জ্ঞান লিখলে তা সঠিক বিষয়েই সীমাবদ্ধ রাখা উচিত।
