২৭/৭. অধ্যায়ঃ

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৭০২ - নাবীয তৈরির পাত্রের বিবরণ

মদের পেয়ালা সম্পর্কে

নাবীয তৈরিতে মশক ও পাথরের পাত্র

সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৭০২

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ النُّفَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا أَبُو الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ كَانَ يُنْبَذُ لِرَسُولِ اللَّهِ ﷺ فِي سِقَاءٍ فَإِذَا لَمْ يَجِدُوا سِقَاءً نُبِذَ لَهُ فِي تَوْرٍ مِنْ حِجَارَةٍ .

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌র (ﷺ) এর জন্য মশকে নাবীয ঢালা হতো। মশক না পাওয়া গেলে পাথরের তৈরি পাত্রে তাঁর জন্য নাবীয ঢালা হতো।

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৭০২-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর জন্য সাধারণত মশকে নাবীয রাখা হতো। যদি মশক পাওয়া না যেত, তাহলে পাথরের তৈরি পাত্রে তাঁর জন্য নাবীয প্রস্তুত করা হতো। এখানে হাদিসের মূল বিষয় হলো নাবীয তৈরির পাত্রের ব্যবহার। নাবীয বলতে এখানে এমন পানীয় বোঝানো হয়েছে, যা ফল ভিজিয়ে তৈরি করা হতো। হাদিসটি আমাদের জানায়, নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর সময়ে পানীয় তৈরির ক্ষেত্রে মশক ব্যবহৃত হতো, আর প্রয়োজন হলে অন্য পাত্রও ব্যবহৃত হয়েছে। তবে এই বর্ণনায় নেশা বা পানীয়ের সময়সীমা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা নেই; শুধু পাত্রের কথা এসেছে। তাই এ হাদিসকে তার নিজস্ব সীমার মধ্যেই বোঝা উচিত।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • নাবীয তৈরিতে মশক ব্যবহারের কথা এই হাদিসে এসেছে।
  • মশক না থাকলে পাথরের পাত্র ব্যবহারের কথাও বর্ণিত হয়েছে।
  • হাদিস বুঝতে হলে যে বিষয়টি সরাসরি এসেছে, সেটিকেই মূল ধরে ব্যাখ্যা করা উচিত।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন