২৮/১. অধ্যায়ঃ

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৭৩৭ - রোজাদারের দাওয়াতে দোয়া

দাওয়াত কবুল করা

দাওয়াতে রোজাদারের দোয়া করার আদব

সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ৩৭৩৭

حَدَّثَنَا مَخْلَدُ بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ بِمَعْنَاهُ زَادَ «فَإِنْ كَانَ مُفْطِرًا فَلْيَطْعَمْ وَإِنْ كَانَ صَائِمًا فَلْيَدْعُ» .

ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ ... পূর্বের হাদীসের অনুরূপ। এতে রয়েছে : সে সাওম পালনরত না হলে যেন খায়, আর সাওম পালনকারী হলে যেন (দাওয়াতদাতার জন্য) দোয়া করে।

সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ৩৭৩৭-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে আগের দাওয়াতের নির্দেশের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা যোগ হয়েছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, কেউ দাওয়াতে গেলে সে যদি রোজা পালনরত না হয়, তাহলে খাবে। আর যদি রোজা পালনকারী হয়, তাহলে দাওয়াতদাতার জন্য দোয়া করবে। এতে দাওয়াতের আদব খুব সুন্দরভাবে বোঝা যায়। দাওয়াত কবুল করা এক বিষয়, আর খাওয়া বা না খাওয়ার অবস্থাও বিবেচ্য। রোজা থাকলে খাবার না খেলেও দাওয়াতদাতার প্রতি কৃতজ্ঞতা দেখানো যায় দোয়ার মাধ্যমে। এই হাদিসে রোজাদারের দাওয়াত, দাওয়াতদাতার জন্য দোয়া এবং সামাজিক ভদ্রতার ভারসাম্য দেখা যায়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • দাওয়াতে গেলে রোজা না থাকলে খাবার গ্রহণ করা যেতে পারে।
  • রোজাদার হলে খাবার না খেয়ে দাওয়াতদাতার জন্য দোয়া করবে।
  • দাওয়াতদাতার সম্মান রাখা ইসলামী আদবের অংশ।
  • রোজা ও সামাজিক সম্পর্ক—দুটির আদব একসঙ্গে মানা যায়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন